
The Karnataka high court has quashed an FIR registered against advocate Mayur Bhanu, who was named as accused number four after he received his client's phone call during a dispute. The FIR,…
মক্কেলের ফোন রিসিভ করার অপরাধে আইনজীবী ময়ূর ভানুর বিরুদ্ধে যে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল তা খারিজ করে দিলেন কর্নাটক হাইকোর্ট। এই মামলায় তাকে চার নম্বর অভিযুক্ত করা হয়েছিল। গত মে মাসে শ্রেণিক চন্দ্রশেখর এই এফআইআর দায়ের করেন। সেখানে অভিযোগ করা হয় যে, ৯.৪ লক্ষ টাকার একটি প্রতারণা মামলায় ভানু এবং অন্যেরা তাকে হুমকি দিয়েছেন।
বিচারপতি এম নাগাপ্রসন্ন লক্ষ্য করেছেন যে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আইনজীবীদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রবণতা বাড়ছে। তিনি একে বার অ্যাসোসিয়েশনের স্বাধীনতার পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেছেন। সরকারি আইনজীবী স্বীকার করেছেন যে ওই ফোন কল ছাড়া আর কোনো প্রমাণ নেই। ভানুর আইনজীবী দাবি করেন যে পেশাগত কাজের কারণেই তাকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে।
এখানে অতিসহজেই ‘আক্রমণাত্মক আইনজীবী’ এবং ‘ক্ষুব্ধ মামলাকারী’র গল্প তৈরি করা হচ্ছে। তবে ঘটনাটি স্পষ্ট যে কেবল একটি ফোন কলের ভিত্তিতে এই মামলা করা হয়েছে যা রাষ্ট্রপক্ষও মেনে নিয়েছে। আসল ঘটনা হলো, মামলাকারীরা তাদের পছন্দমতো কাজ না করলে আইনজীবীদের ভয় দেখানোর অস্ত্র হিসেবে ফৌজদারি আইনকে ব্যবহার করছেন। বিচারপতি নাগাপ্রসন্নের সতর্কবার্তাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুলিশ কি এবার থেকে এফআইআর দায়ের করার আগে অভিযোগ খতিয়ে দেখবে নাকি পরের আইনজীবীকেও আদালতের দ্বারস্থ হতে হবে? এ বছর এই ধরনের যতগুলি আবেদন জমা পড়বে তাতেই উত্তর পাওয়া যাবে।
সূত্র: timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া সূত্রের ভিত্তিতে এআই ব্যবহার করে সংকলন করা হয়েছে।