
The Supreme Court on Friday sought the Centre's response to a plea seeking prosecution of social media platforms that fail to report child sexual exploitation and abuse material (CSEAM) to police, as…
সোশ্যাল মিডিয়ায় শিশু যৌন নিপীড়নের উপাদান বা চাইল্ড সেক্সুয়াল এক্সপ্লয়টেশন মেটেরিয়াল রিপোর্ট করতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মগুলোর বিরুদ্ধে ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়ে করা এক মামলায় শুক্রবার কেন্দ্রকে নোটিশ পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি বিনোদ চন্দ্রনের বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে।
জাস্ট রাইটস ফর চিলড্রেন অ্যালায়েন্সের পক্ষ থেকে করা এই আবেদনে পকসো (POCSO) আইনের অধীনে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া রায় কার্যকর করার দাবি জানানো হয়েছে। আবেদনে একটি বিবিসি রিপোর্টের উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে দেখা গেছে, ইনস্টাগ্রামে শিশু যৌন নিপীড়নকে উসকে দেয় এমন পেইড বিজ্ঞাপন দেখানো হচ্ছে এবং তা ব্যবহারকারীদের টেলিগ্রামে নিয়ে যাচ্ছে। মেটা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে তারা এ জাতীয় কনটেন্ট যুক্তরাষ্ট্রের এনসিএমইসি (NCMEC)-কে রিপোর্ট করে, কিন্তু আইন অনুযায়ী তা সবসময় ভারতীয় পুলিশকে জানানো হয় না। এই আবেদনে একটি অভিন্ন এসওপি (SOP) তৈরি এবং আইন অমান্যকারী মধ্যস্থতাকারী সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যধারা শুরু করার দাবি জানানো হয়েছে।
ভারতীয় জনমানসে প্রায়ই দুটি ভিন্ন চিত্র ভেসে ওঠে। সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাগুলো দাবি করে তারা এনসিএমইসি-কে অপব্যবহারের খবর জানায়, অন্যদিকে সমালোচকদের মতে তারা ভারতীয় আইনকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। তবে মূল বিষয় হলো, পকসো আইন অনুযায়ী ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে সরাসরি রিপোর্ট করা বাধ্যতামূলক। সুপ্রিম কোর্টের এই নোটিশের পর যদি এনসিএমইসি এবং ভারতীয় কর্তৃপক্ষ উভয়কেই রিপোর্ট করার মতো একটি স্বচ্ছ এসওপি তৈরি হয়, তবেই সমস্যার সমাধান সম্ভব। ততক্ষণ পর্যন্ত ইনস্টাগ্রামের বিজ্ঞাপনের বিষয়টি প্রমাণ করবে যে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো আইন মানার ক্ষেত্রে কতটা আন্তরিক।
সূত্র: barandbench.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত তথ্যের ভিত্তিতে এআই (AI)-এর মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।