
The United States is pulling its last aircraft carrier from the western Pacific to support the war with Iran, temporarily leaving the region without one as China expands its naval activity. The…
টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধে সহায়তার জন্য পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগর থেকে শেষ বিমানবাহী রণতরী সরিয়ে নিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে ওই অঞ্চলে সাময়িকভাবে কোনো মার্কিন রণতরী থাকছে না এবং চীনের সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হচ্ছে। ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন রণতরীটিকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হচ্ছে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার জন্য। আব্রাহাম লিঙ্কন টানা ২৬০ দিনেরও বেশি সময় সমুদ্রে মোতায়েন ছিল যা বর্তমান সময়ে একটি রেকর্ড। তবে নাবিকদের জাহাজ থেকে ঝাঁপ দেওয়ার মতো ঘটনার জেরে ক্রুদের মানসিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই শূন্যতা সাময়িক হলেও এর প্রতীকী গুরুত্ব অনেক। চীন ইতিমধ্যে ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে নৌ-মহড়া, স্কারবোরো শোল এলাকায় ড্রিল এবং জাপানের কাছে সরাসরি গোলাগুলির মহড়া চালিয়েছে। মিত্র দেশগুলোকে আশ্বস্ত করার জন্য অ্যাডমিরাল ফ্রাঙ্ক ব্র্যাডলি ম্যানিলা সফর করেছেন এবং যৌথ মহড়া বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, এই অনুপস্থিতির সুযোগে বেইজিং পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের বার্তা আরও জোরালো করতে পারে।
কেউ কেউ একে প্রশান্ত মহাসাগর থেকে মার্কিন পিছুটান হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ একে চীনের আধিপত্যের সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করছেন। তবে উভয় পক্ষই পরিস্থিতির জটিলতা বুঝতে ব্যর্থ হচ্ছে। রণতরী সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি সাময়িক এবং ওয়াশিংটন সফর ও যৌথ মহড়ার মাধ্যমে মিত্রদের ভরসা দিচ্ছে। আসল উদ্বেগের বিষয় হলো মার্কিন নৌ-শক্তির ওপর চাপ। একটি রণতরী টানা ২৬০ দিন মোতায়েন থাকা মানে মার্কিন সক্ষমতা সীমিত হয়ে আসছে। আসল পরীক্ষা হলো তিন মাসের মধ্যে আমেরিকা বিকল্প পাঠাতে পারে কি না। যদি না পারে তবে বেইজিংয়ের প্রতীকী বার্তা বাস্তবে পরিণত হবে।
সূত্র: timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লিখিত সূত্র থেকে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।