
The Income Tax Department on Saturday notified the Foreign Assets of Small Taxpayers-Disclosure Scheme (FAST-DS), allowing eligible taxpayers to declare undisclosed foreign assets or income by paying an effective 60% tax. The…
আয়কর বিভাগ শনিবার ফরেইন অ্যাসেটস অফ স্মল ট্যাক্সপেয়ার্স-ডিসক্লোজার স্কিম বা ফাস্ট-ডিএস প্রবর্তন করেছে, যার মাধ্যমে যোগ্য করদাতারা ৬০ শতাংশ কর দিয়ে তাদের অপ্রকাশিত বিদেশি সম্পদ বা আয় ঘোষণা করার সুযোগ পাবেন। ১৬ আগস্ট ২০২৬ থেকে কার্যকর হওয়া এই প্রকল্প মূলত ছাত্র, তরুণ পেশাজীবী, প্রযুক্তিবিদ এবং বিদেশে বসবাসকারী অনাবাসী ভারতীয়দের জন্য আনা হয়েছে, যারা আগে নিজেদের বিদেশি সম্পদের কথা জানাননি। অনলাইনে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত এই ঘোষণা করা যাবে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ৩১ মার্চ ২০২৬ সালের বাজারমূল্য অনুসারে সম্পদের ওপর ৩০ শতাংশ কর এবং সমপরিমাণ জরিমানা মিলিয়ে মোট ৬০ শতাংশ কর দিতে হবে। প্রকল্পের দুটি ভাগ রয়েছে। প্রথমত, ১ কোটি টাকা পর্যন্ত অপ্রকাশিত সম্পদ বা আয় এবং দ্বিতীয়ত, অনাবাসী থাকাকালীন অর্জিত বা করযোগ্য সম্পদ যা আগে দেখানো হয়নি, তা ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ১ লক্ষ টাকা ফি দিয়ে জানানো যাবে। সিবিডিটি জানিয়েছে, যথাযথভাবে সম্পদ ঘোষণা করলে ব্ল্যাক মানি আইনের আওতায় কোনো জরিমানা বা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না।
ফাস্ট-ডিএস প্রকল্পকে কর ফাঁকিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে দেখানোর যে বয়ান তৈরি হয়েছে, তা বিভ্রান্তিকর। আসলে জটিল ব্ল্যাক মানি আইনের বেড়াজালে ছোট করদাতাদের সরকার নিজেই জড়িয়ে ফেলেছে। প্রকৃত পরীক্ষা হবে তখন, যখন দেখা যাবে কতজন প্রথম প্রজন্মের পেশাজীবী স্বেচ্ছায় এগিয়ে আসেন। আসল প্রশ্ন হলো, ৬০ শতাংশ করের বোঝা এবং কঠিন মূল্যায়ন প্রক্রিয়া সত্যিই সম্পদ প্রকাশে উৎসাহিত করবে, নাকি ছোট ছোট বিনিয়োগকারীদের আরও বড় বিপদের দিকে ঠেলে দেবে।
উৎস: thehindu.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া উৎসের তথ্যের ভিত্তিতে এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।