
A Comptroller and Auditor General audit of 512 railway stations found that 458 (89%) lacked minimum essential amenities such as fans, water coolers, drinking water taps, urinals, seating, platform shelters, latrines, and…
কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেলের অডিটে ৫১২টি রেল স্টেশনের মধ্যে ৪৫৮টিই অর্থাৎ ৮৯ শতাংশ স্টেশনে পাখা, ওয়াটার কুলার, পানীয় জলের কল, মূত্রাগার, বসার জায়গা, প্ল্যাটফর্মের শেড, শৌচাগার ও ঘড়ির মতো ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার অভাব দেখা গেছে। মাত্র ৫৪টি স্টেশন সব নিয়ম মেনে চলছে। এমনকি ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস, হাওড়া ও নতুন দিল্লির মতো বড় স্টেশনগুলিতেও এই ঘাটতি রয়ে গেছে।
যাত্রী পরিষেবার জন্য বরাদ্দ বাজেট ২০১৯-২০ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষ পর্যন্ত প্রতি বছর ৩৬ থেকে ৪৪ শতাংশ অব্যবহৃত থেকেছে যদিও যাত্রীদের থেকে আয় বেড়েছে। ক্যাগ জানিয়েছে, ২০০৭, ২০১৩ ও ২০১৬ সালেও একই ধরণের ঘাটতির কথা বলা হয়েছিল। নজরদারির অভাব, সময়সীমা মেনে পরিকল্পনা না করা এবং অগ্রাধিকার নির্ধারণে অসামঞ্জস্যের কারণেই এমনটা হয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ। পর্যালোচিত ৩৯৫টি কাজের মধ্যে ৫৯ শতাংশই এক থেকে চার বছরের বেশি সময় ধরে পিছিয়ে আছে।
রেল মন্ত্রক প্রায়শই অমৃত ভারত আধুনিকীকরণ প্রকল্পের সাফল্যের কথা তুলে ধরে, কিন্তু ক্যাগের রিপোর্ট স্পষ্ট করেছে যে প্রতি দশটি স্টেশনের মধ্যে নয়টিতেই এখনও পাখা বা পানীয় জলের মতো প্রাথমিক জিনিসের অভাব রয়েছে। যখন ৪০ শতাংশ স্টেশনে ওয়াটার কুলার এবং ৪২ শতাংশে পাখা নেই, তখন দ্রুত উন্নয়নের বয়ান ফাঁপা শোনায়। আসল পরীক্ষা হলো, পরবর্তী বাজেটে কি যাত্রী পরিষেবার জন্য বরাদ্দ ১৪,০৭২ কোটি টাকা শুধু ঘোষণার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সঠিকভাবে খরচ হবে?
সূত্র: thehindu.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত সূত্র থেকে এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।