
More than 2,000 residents of Times Beach, Missouri, were permanently relocated after streets treated with waste oil were found to contain highly toxic dioxin. The oil haulier Russell Bliss had mixed chemical-plant…
মিসৌরির টাইমস বিচের দুই হাজারের বেশি বাসিন্দাকে চিরতরে অন্যত্র সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল কারণ ধুলো নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত বর্জ্য তেলে অত্যন্ত বিষাক্ত ডাইঅক্সিন পাওয়া গিয়েছিল। তেল সরবরাহকারী রাসেল ব্লিস সত্তরের দশকের শুরুতে ধুলো নিয়ন্ত্রণের কাজে ব্যবহৃত তেলের সঙ্গে রাসায়নিক কারখানার বর্জ্য মিশিয়েছিলেন। এই বিষাক্ত মিশ্রণ টাইমস বিচ এবং রাজ্যের আরও কয়েকটি জায়গায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।
১৯৮২ সালের ডিসেম্বরে বন্যার পর মার্কিন পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থা এবং সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল বাসিন্দাদের ফিরে না যাওয়ার পরামর্শ দেয়। ১৯৮৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থা, ফেমা এবং মিসৌরি সরকার বাসিন্দাদের স্থানান্তরের জন্য ৩ কোটি ৩১ লক্ষ মার্কিন ডলার বরাদ্দ করে যা দিয়ে প্রায় ৮০০টি বাড়ি এবং ৩০টি ব্যবসার পুনর্বাসন করা হয়। পরবর্তীকালে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে মোট ২ লক্ষ ৬৫ হাজার ৩৫৪ টন দূষিত পদার্থ অপসারণ করা হয়েছিল যার মধ্যে টাইমস বিচ থেকেই ছিল ৩৭ হাজার ২৩৪ টন।
এই ঘটনার সহজ ব্যাখ্যায় কেবল একজন অসতর্ক সরবরাহকারী কিংবা সরকারের অতিরঞ্জিত প্রতিক্রিয়াকে দোষ দেওয়া হয়। কিন্তু আসল বিষয়টি এর চেয়ে অনেক গভীর। অনেকগুলো জায়গায় এই বর্জ্য ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল, বন্যার আগেই দূষণ শনাক্ত হয়েছিল এবং মাটির পরীক্ষায় স্বাস্থ্যের ঝুঁকি ধরা পড়ার পরই কর্মকর্তারা ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া ব্যয়বহুল ছিল ঠিকই, কিন্তু তাদের বিপদের মুখে ফেলে রাখা ছিল আরও বড় ভুল। আজকের দিনে নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলো বিপজ্জনক বর্জ্যের উৎস থেকে নিষ্কাশন পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি ট্র্যাক করতে পারে কি না, সেটিই এখন আসল পরীক্ষার বিষয় যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো জনগোষ্ঠীকে এমন পরিস্থিতির শিকার হতে না হয়।
উৎস: timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লিখিত তথ্যের ভিত্তিতে এআই ব্যবহার করে সংকলিত হয়েছে।