
German shipping line Hapag-Lloyd has said the conflict in West Asia cost it about $600 million in additional expenses in the second quarter of 2026. The disruption around the Strait of Hormuz…
পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের কারণে ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে জার্মান শিপিং সংস্থা হ্যাপাগ-লয়েডের প্রায় ৬০ কোটি ডলার বাড়তি খরচ হয়েছে। হরমুজ প্রণালীর আশেপাশের অস্থিরতার ফলে জাহাজ কোম্পানিগুলোর জ্বালানি তেল, বিমা, সংরক্ষণ, নতুন পথে জাহাজ পরিচালনা এবং অভ্যন্তরীণ পরিবহনের খরচ অনেক বেড়ে গেছে। একই সময়ে মার্স্কও জানিয়েছে যে তাদের গড় জ্বালানি তেলের দাম ৪৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি টন ৭৭৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে এবং মোট জ্বালানি খরচ ৩৬ শতাংশ বেড়ে ২১০ কোটি ডলার হয়েছে।
এই বাড়তি বোঝা সামাল দিতে উভয় কোম্পানিই জাহাজ ভাড়া বা ফ্রেইট চার্জ বাড়িয়েছে। হ্যাপাগ-লয়েডের গড় ভাড়া বছরে ৯ শতাংশ বেড়েছে এবং মার্স্কের প্রতি এফএফই (FFE) হিসেবে গড় ভাড়া ২২ শতাংশ বেড়ে ২,৭৪৬ ডলারে পৌঁছেছে। ২০২৬ সালের জুন মাসের শেষে সাংহাই কন্টেইনারাইজড ফ্রেইট ইনডেক্স প্রায় দ্বিগুণ হয়ে প্রতি টিইইউ (TEU) ৩,২৪০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। মার্স্ক জানিয়েছে যে তারা ক্ষতিগ্রস্ত ৪৭,০০০ কন্টেইনারের মধ্যে ৪৪,০০০টি বিকল্প পথে গন্তব্যে পৌঁছে দিয়েছে।
হরমুজের অস্থিরতার বোঝা শুধুমাত্র শিপিং কোম্পানিগুলোই বহন করছে বলে যে ধারণা তৈরি হয়েছে তা বিভ্রান্তিকর। মার্স্ক ও হ্যাপাগ-লয়েড ইতিমধ্যেই দুই অঙ্কের হারে জাহাজ ভাড়া বাড়িয়ে সাধারণ ক্রেতার ওপর সেই খরচের বোঝা চাপিয়ে দিয়েছে। ফলে শুধু আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার নয়, সাধারণ ভারতীয় আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকরাও পণ্যের বর্ধিত মূল্যের প্রভাব টের পাবেন। তেলের দাম স্থিতিশীল হওয়ার পরেও কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের খরচ ১১ শতাংশ বৃদ্ধি বজায় থাকে কি না তা দেখার বিষয়। জ্বালানি খরচ কমলেও যদি জাহাজ ভাড়া চড়া থাকে তবে অতিরিক্ত মুনাফা করার অভিযোগ জোরালো হওয়াটাই স্বাভাবিক।
সূত্র: thehindubusinessline.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া উৎসের তথ্যের ভিত্তিতে এআই (AI) দ্বারা সংকলিত হয়েছে।