
IndiGo began operations on 4 August 2006 with a New Delhi to Guwahati flight via Imphal. The low-cost airline expanded from regional routes to international services in 2011 and listed on the…
২০০৬ সালের ৪ আগস্ট ইম্ফল হয়ে নতুন দিল্লি থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত উড়ান পরিচালনার মাধ্যমে ইন্ডিগোর যাত্রা শুরু হয়। সাশ্রয়ী ভাড়ার এই বিমান সংস্থাটি ২০১১ সালে আঞ্চলিক রুট থেকে আন্তর্জাতিক পরিষেবা শুরু করে এবং ২০১৫ সালে শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ২০১৯ সালে জেট এয়ারওয়েজ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে সংস্থাটি ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারের ৫০ শতাংশেরও বেশি দখল করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীকালে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার অতিমারিজনিত লোকসান কাটিয়ে ইন্ডিগো পুনরায় মুনাফার ধারায় ফিরে আসে।
২০তম বর্ষপূর্তিতে ইন্ডিগোর বহরে ৪৩০টি বিমান রয়েছে এবং আরও ৫০০টির বেশি বিমানের অর্ডার দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তারা ১৪০টি গন্তব্যে পরিষেবা দিচ্ছে। ভারতের অভ্যন্তরীণ বিমান বাজারে তাদের অংশীদারিত্ব ৬৫ শতাংশেরও বেশি এবং কর্মী সংখ্যা প্রায় ৬৮ হাজার। সংস্থার বোর্ড ৬০টি এয়ারবাস এ৩৫০ বিমান কেনার অনুমোদন দিয়েছে যার সঙ্গে আরও ৪০টি বিমান কেনার সুযোগ রয়েছে। উইলি ওয়ালশ এখন প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ইন্ডিগোর এই শ্রীবৃদ্ধি ভারতের ক্রমবর্ধমান বিমান বাজারের বিশালতাকে তুলে ধরে। তবে তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখেও পড়তে পারে। উৎস প্রতিবেদনে জনমত সম্পর্কে ব্যাপক দাবি করা হলেও কোনো বিস্তৃত প্রমাণ ছাড়াই দূরপাল্লার উড়ান পরিষেবা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। অতিমারির কারণে ক্ষতি প্রতিষ্ঠাতা পর্যায়ে বিরোধ এবং পরিচালনগত তদারকির মতো বাস্তব সমস্যাগুলো মনোযোগ পাওয়ার দাবি রাখে। আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণের পর সংস্থাটির সামগ্রিক পারফরম্যান্স তাদের রণকৌশলের যথার্থতা প্রমাণ করবে।
সূত্র: www.hindustantimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লিখিত তথ্যের ভিত্তিতে এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।