
On Partition Horrors Remembrance Day in Delhi, survivors aged 86 and 91 recounted their harrowing journeys from Pakistan to India. Shyamji Slawan, eight at the time, recalled the panic and bloodshed on…
দিল্লিতে দেশভাগের বিভীষিকা স্মরণ দিবসে ৮৬ ও ৯১ বছর বয়সী দুই প্রত্যক্ষদর্শী পাকিস্তান থেকে ভারতে আসার ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন। সেই সময় আট বছর বয়সী শ্যামজি সালাওয়ান লাহোর থেকে জলন্ধরগামী ট্রেনের আতঙ্ক ও রক্তপাতের কথা স্মরণ করেন। ১২ বছর বয়সী ঊর্মিলা লোথরা জানান, সরগোদা থেকে আম্বালাগামী শেষ ট্রেনে ওঠার আগেই গাড়িচালকরা তাদের সমস্ত জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যাওয়ায় পরিবারটি সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছিল। দেশভাগ জাদুঘরে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপরাজ্যপাল টিএস সান্ধুর বার্তা পাঠ করা হয় এবং আইজিএনসিএ-এর সচ্চিদানন্দ যোশী ভারতের অখণ্ডতা বজায় রাখতে এই যন্ত্রণার কথা মনে রাখার ওপর জোর দেন। জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা লেডি কিশোর দেশাই জানান, সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর সংরক্ষণ করাই এই জাদুঘরের লক্ষ্য।
কেউ কেউ মনে করেন দেশভাগের বিভীষিকা নিয়ে আলোচনা করলে সাম্প্রদায়িক বিভাজন বাড়ে কিন্তু প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিজ্ঞতাই প্রমাণ করে যে এসব ভুলে যাওয়া তাদের জন্য বিলাসিতা যা ভুক্তভোগীরা কোনোদিন পাননি। উপরাজ্যপাল সান্ধুর পুনর্বাসন বিষয়ক আলোচনা সহ অনুষ্ঠানের বক্তব্যগুলো যন্ত্রণাকে মহিমান্বিত করার পরিবর্তে বাস্তবতার ওপর জোর দিয়েছে। আসল পরীক্ষাটি হলো নতুন প্রজন্ম কি দেশভাগ জাদুঘরের মতো জায়গাগুলো থেকে এই ইতিহাস জানবে নাকি তা নিস্তব্ধতায় হারিয়ে যাবে।
সূত্র: timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে উপরের লিঙ্ক থেকে তৈরি করা হয়েছে।