
A study of ten wind turbines in western Poland found that the gravelled land around their bases supported more diverse plants and bees than nearby crop fields. Wild bee numbers matched those…
পশ্চিম পোল্যান্ডে দশটি উইন্ড টারবাইন নিয়ে করা এক গবেষণায় দেখা গেছে যে টারবাইনের চারপাশের নুড়ি বিছানো এলাকা আশেপাশের ফসলি জমির তুলনায় বেশি বৈচিত্র্যময় উদ্ভিদ ও মৌমাছির আবাসস্থল। এখানে বন্য মৌমাছির সংখ্যা সংরক্ষিত তৃণভূমির সমতুল্য এবং টারবাইন এলাকায় মৌমাছির বৈচিত্র্য ও প্রাচুর্য সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে। গবেষকরা ২০১৪ সালের মে থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত পোকামাকড় ও আগাছা পর্যবেক্ষণ করেন এবং টারবাইনের রক্ষণাবেক্ষণ এলাকাগুলোর সাথে দশটি তৃণভূমি ও আশেপাশের কৃষিজমির তুলনা করেন।
প্রায় ২০ বাই ৩০ মিটার আয়তনের এই জায়গাগুলো খুব সামান্যই ব্যবহার করা হতো। ফলে মাটি খুঁড়ে বাসা বাঁধে এমন মৌমাছিরা সেখানে বসবাসের সুযোগ পায় এবং ফুলগাছ জন্মানোর পরিবেশ তৈরি হয়। তৃণভূমিতে প্রজাপতির সংখ্যা বেশি হলেও ফসলি জমির তুলনায় টারবাইন কেন্দ্রিক জায়গাগুলোতে প্রজাপতি বেশি ছিল। এছাড়া টারবাইন এলাকায় মাছির সংখ্যা তৃণভূমির সমান এবং ফসলি জমির চেয়ে বেশি ছিল।
উইন্ড পাওয়ার সবসময় জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করে এই দাবি যেমন অতিসরলীকরণ, তেমনি প্রতিটি টারবাইন বেসকে সংরক্ষণ সাফল্যের উদাহরণ বলাও দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ। এটি ছিল দশটি সাইট নিয়ে এক মৌসুমের ছোট একটি গবেষণা যেখানে দেখা গেছে প্রজাপতির জন্য তৃণভূমিই বেশি উপযোগী। গবেষণার মূল দিকটি হলো সামান্য রক্ষণাবেক্ষণ করা নুড়িপাথরযুক্ত এলাকাগুলো নিবিড় চাষাবাদ হওয়া অঞ্চলে পরাগায়নকারী পতঙ্গদের সহায়তা করতে পারে। এই গবেষণার ফলাফল দশটি টারবাইনের বাইরেও প্রযোজ্য কিনা তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন ঋতু ও অঞ্চল জুড়ে আরও বড় পরিসরে পরীক্ষা চালানো প্রয়োজন।
উৎস: timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া উৎসের তথ্যের ভিত্তিতে এআই ব্যবহার করে সংকলিত হয়েছে।