
Chandigarh police used tear gas shells and water cannons on Saturday to disperse protesters of the Qaumi Insaf Morcha who tried to break through barricades during a march to Punjab Governor Gulab…
পাঞ্জাবের রাজ্যপাল গোলাপ চাঁদ কাটারিয়ার বাসভবনের দিকে মিছিল করার সময় ব্যারিকেড ভাঙার অভিযোগে শনিবার কওমি ইনসাফ মোর্চার বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করেছে চণ্ডীগড় পুলিশ। বিক্ষোভকারীরা শিখ বন্দিদের মুক্তির দাবি জানাচ্ছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন জগৎার সিং হাওয়ারা, যিনি ১৯৯৫ সালে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিয়ন্ত সিং হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজা ভোগ করছেন।

পুলিশ ড্রোন ব্যবহার করে টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করেছে এবং চণ্ডীগড় ও মোহালির মধ্যবর্তী সমস্ত সীমান্ত পয়েন্ট সিল করে দিয়েছে। শিরোমণি আকালি দল (অমৃতসর)-এর সভাপতি সিমরণজিৎ সিং মানকে আটক করা হয়েছে। বন্দিদের মুক্তির দাবিতে মোর্চা ২১ আগস্ট ‘পাঞ্জাব বনধ’-এর ডাক দিয়েছে। নেতারা হাওয়ারার অসুস্থ মায়ের সাথে দেখা করার জন্য তাকে প্যারোলে মুক্তির দাবিও জানিয়েছেন।

উগ্রপন্থা মামলায় দণ্ডিত ‘বন্দি সিং’-দের মুক্তির দাবি অনিবার্যভাবে পুরোনো ক্ষতকে নতুন করে উসকে দেবে। মোর্চা বিষয়টিকে মানবাধিকারের নিরিখে দেখলেও রাষ্ট্র এটিকে জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় হিসেবেই দেখছে। বিশেষ করে এর মূল দাবির মধ্যে রয়েছেন একজন নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীকে হত্যার দায়ে দণ্ডিত ব্যক্তিরা। দেখার বিষয় হলো এই আন্দোলন শিখ কট্টরপন্থী গোষ্ঠীর বাইরে বড় কোনো রাজনৈতিক সমর্থন জোগাড় করতে পারে কি না, নাকি ২১ আগস্টের বনধ ডাক আরেকটি বিচ্ছিন্ন প্রতিবাদ হিসেবেই শেষ হয়ে যাবে।
সূত্র (৩): hindustantimes.com, rediff.com, thefederal.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া তিনটি সূত্র থেকে এআই ব্যবহার করে সংকলন করা হয়েছে।