
The Gold (Control) Act, 1968, restricted private ownership and trade in gold bars and coins as India sought to cut imports and conserve foreign exchange. It also limited goldsmiths’ holdings and capped…
ভারত যখন বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করতে ও আমদানি কমাতে চেয়েছিল, তখন ১৯৬৮ সালের গোল্ড কন্ট্রোল অ্যাক্ট সোনা বা সোনার মোহরের ব্যক্তিগত মালিকানা ও কেনাবেচার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে। একই সঙ্গে এটি স্বর্ণকারদের সোনা মজুতের সীমা বেঁধে দেয় এবং নতুন তৈরি গয়নার মান ১৪ ক্যারেটে সীমাবদ্ধ রাখে। টাইমস নাউ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী সোনার চাহিদা তখনও প্রবল ছিল এবং অনেক পরিবার সঞ্চয় স্ত্রীধন ও জরুরি প্রয়োজনে প্রথাগত উচ্চ মানের সোনার ওপরই ভরসা রাখত।
এই বিধিনিষেধ চোরাচালান ও সমান্তরাল বাজারকে আরও বাড়িয়ে তোলে যেখানে মুম্বাই হয়ে ওঠে প্রধান কেন্দ্র। লণ্ডন বুলিয়ন দরের চেয়ে ৪০ থেকে ৮০ শতাংশ বেশি দামে অবৈধ সোনা কেনাবেচা হতো বলে খবর রয়েছে। ১৯৯০ সালের ৬ জুন গোল্ড কন্ট্রোল রিপিল অ্যাক্ট বা স্বর্ণ নিয়ন্ত্রণ বাতিল আইন পাস হয়। এর কিছুদিন পরই ১৯৯১ সালে যখন ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার কয়েক সপ্তাহের আমদানির পর্যায়ে নেমে এসেছিল তখন রিজার্ভ ব্যাংক ভারতের সোনা নিয়ে এক অতি সংবেদনশীল অভিযান পরিচালনা করে।
সহজবশত এই শিক্ষা নেওয়া যেতে পারে যে সব ধরনের সরকারি নিয়ন্ত্রণই কালোবাজার তৈরি করে আবার উল্টো দাবিটি হলো পরিবারের সোনা সহজে ব্যাংকে স্থানান্তর করা সম্ভব। কোনোটিই বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খায় না। এই নীতিটি উপেক্ষা করেছিল যে সোনা কীভাবে সঞ্চয় নিরাপত্তা ও স্ত্রীধন হিসেবে কাজ করে। তবে বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতির সময় বৈধ আমদানিরও খরচ আছে। আসল পরীক্ষার বিষয় হলো পরবর্তী নিয়মগুলো কি চোরাচালানের সেই ৮০ শতাংশ পর্যন্ত প্রিমিয়াম ফের ফিরে আসা ছাড়াই সোনার বাণিজ্যকে বৈধ রাখতে পারবে।
সূত্র: timesnownews.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া উৎস থেকে এআই-এর মাধ্যমে সংকলন করা হয়েছে।