
An IIT Guwahati study has found microplastic contamination along the Brahmaputra’s shorelines and recommended field-based remediation. Commissioned by the North Eastern Development Finance Corporation under its Techno Economic Development Fund, the report…
আইআইটি গুয়াহাটির এক গবেষণায় ব্রহ্মপুত্রের তীরে মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণের অস্তিত্ব মিলেছে এবং প্রতিকারের জন্য মাঠ পর্যায়ে উদ্যোগ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। নর্থ ইস্টার্ন ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের টেকনো ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের অর্থায়নে করা এই প্রতিবেদনটি গুয়াহাটিতে আয়োজিত অকটাভেট ২০২৬ প্রযুক্তি সম্মেলনে প্রকাশ করা হয়।
অধ্যাপক বিমল কাটিয়ারের নেতৃত্বে পরিচালিত এই গবেষণায় আবাসিক, গ্রামীণ, শিল্পাঞ্চল, শোধনাগার এবং বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকা মিলিয়ে ২০টিরও বেশি স্থানে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। গবেষকরা মাইক্রোস্কোপি এবং ফুরিয়ার ট্রান্সফর্ম ইনফ্রারেড স্পেকট্রোস্কোপির মাধ্যমে পলিইথিলিন, পলিপ্রোপিলিন ও পলিভিনাইল ক্লোরাইডের মতো প্লাস্টিক শনাক্ত করেছেন। তারা ভাসমান ব্যারিয়ার এবং বায়োফিল্ম-সহায়তা প্রাপ্ত অবক্ষয়কে সম্ভাব্য প্রতিকার হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন। প্রতিবেদনটি এই দূষণের কারণ হিসেবে শহরের বর্জ্য জল, শিল্পের রাসায়নিক বর্জ্য এবং নদী প্রক্রিয়াকে দায়ী করেছে।
ব্রহ্মপুত্র এখন আর সারিয়ে তোলা সম্ভব নয় এমন দাবি করা এই গবেষণার থেকে এগিয়ে যাওয়া হবে কারণ এই গবেষণায় দূষণ এবং সম্ভাব্য হস্তক্ষেপের দিকগুলো খতিয়ে দেখা হয়েছে, অপূরণীয় পরিবেশগত ক্ষতি পরিমাপ করা হয়নি। এর বিপরীতে তীরবর্তী আবর্জনা কেবল বাহ্যিক সমস্যা এমন দাবিও নদীর জীববৈচিত্র্য ও মানুষের জীবিকার কথা বিবেচনা করলে হালকাভাবে দেখা ঠিক হবে না। ব্যারিয়ার বা অন্যান্য ব্যবস্থা নেওয়ার পর একই স্থানে পুনরায় নমুনা পরীক্ষা করে মাইক্রোপ্লাস্টিকের মাত্রা কমেছে কিনা তা যাচাই করাই এখন আসল পরীক্ষা।
উৎস: assamtribune.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া উৎসের তথ্যের ভিত্তিতে এআই দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।