
Researchers have developed a method to extract usable potassium from syenite rock found in Morocco, potentially giving African farmers a local alternative to imported potash. The study, published in ScienceDirect, found that…
গবেষকরা মরক্কোর সায়েনাইট পাথর থেকে পটাশিয়াম নিষ্কাশনের একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন যা আফ্রিকান কৃষকদের জন্য আমদানিকৃত পটাশের একটি স্থানীয় বিকল্প হয়ে উঠতে পারে। সায়েন্সডাইরেক্টে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে যে পাথর চূর্ণ করে সেটিকে অ্যাসিড বা ক্ষারীয় উপাদান দিয়ে প্রক্রিয়াজাত করে ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে তাপ দিলে তার পটাশিয়াম অনেক বেশি সহজলভ্য হয়ে ওঠে।
উপযুক্ত অবস্থায় প্রায় ৪০ শতাংশ পটাশিয়াম ব্যবহারযোগ্য সিলিকেট এবং কার্বনেট আকারে রূপান্তরিত হয়েছে। গবেষণাগারের পরীক্ষায় দেখা গেছে যে ভুট্টা ও সয়াবিন গাছ সাধারণ পটাশ সারের মতোই এই প্রক্রিয়াজাত সায়েনাইট থেকে পুষ্টি শোষণ করতে পারে। এই উপাদানটি সিলিকন এবং ম্যাগনেসিয়ামের পাশাপাশি ধীরে ধীরে পটাশিয়াম নির্গত করে। বৃহৎ পরিসরে এর খরচ ও কার্যকারিতা যাচাইয়ের জন্য মাঠপর্যায়ের পরীক্ষার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
এই আবিষ্কার আফ্রিকার সার সমস্যার দ্রুত সমাধান করবে এমন দাবি করাটা তাড়াহুড়ো হবে। গবেষণাগারের ফলাফল আশাব্যঞ্জক হলেও প্রক্রিয়াকরণ খরচ পরিবহন মাটির ধরন এবং কৃষকদের সহজলভ্যতা নির্ধারণ করবে যে সায়েনাইট আমদানিকৃত পটাশের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারবে কিনা। স্থানীয় উৎস থাকলেই যে উৎপাদন সাশ্রয়ী বা পরিবেশবান্ধব হবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হবে মাঠপর্যায়ে বড় আকারের পরীক্ষায় যদি গবেষণাগারের মতো ফলাফল পাওয়া যায় এবং সারের চূড়ান্ত দাম কৃষকদের নাগালের মধ্যে থাকে।
সূত্র: timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে উল্লেখিত উৎস থেকে তৈরি করা হয়েছে।