
India’s chemical industry could take exports to $76-81 billion by 2030, driven by speciality chemicals, petrochemicals and inorganic chemicals, according to a NITI Aayog report. The targets include $45 billion in speciality…
নীতি আয়োগের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী স্পেশালিটি কেমিক্যাল, পেট্রোকেমিক্যাল এবং অজৈব রাসায়নিকের প্রসারে ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের রাসায়নিক শিল্প রপ্তানি ৭৬ থেকে ৮১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এই লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে রয়েছে স্পেশালিটি কেমিক্যাল থেকে ৪৫ বিলিয়ন, পেট্রোকেমিক্যাল থেকে ২৬ বিলিয়ন এবং অজৈব রাসায়নিক থেকে ৫ থেকে ১০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি।
২০৩০ অর্থবছর নাগাদ দেশের অভ্যন্তরীণ রাসায়নিক বাজারের আকার ২৯০ থেকে ৩১০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। সেই সাথে উৎপাদনের পরিমাণ ২০২৩ অর্থবছরের ১১০ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ২২০ থেকে ২৮০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার প্রয়োজন হতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে আগামী পাঁচ অর্থবছর জুড়ে বার্ষিক ১০ থেকে ১১ শতাংশ হারে ব্যবহার এবং ১৪ শতাংশ হারে উৎপাদন বৃদ্ধি জরুরি। অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, নিয়ন্ত্রক সংস্থার জটিলতা এবং সীমিত প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এখনও বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তবে ২০৩০ সালের মধ্যে এই শিল্পে ৭ লাখ থেকে ১০ লাখ কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে।
ভারত খুব দ্রুত রাসায়নিক শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত হবে এমন দাবি করার সময় প্রয়োজনীয় সম্প্রসারণের ব্যাপকতাকে উপেক্ষা করা হয়। রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা কেবলই এক একটি প্রক্ষেপণ, নিশ্চিত কোনো অর্ডার নয়। সেই সঙ্গে শিল্পটিকে পরিকাঠামো, নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিগত খামতি দূর করতে হবে। একইভাবে আমদানির ওপর নির্ভরশীলতা নিয়ে চরম হতাশা প্রকাশ করার সময় ভারতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা এবং স্পেশালিটি কেমিক্যালের বর্তমান বাজারকেও এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়। আসল পরীক্ষা হলো ২০৩০ সালের মধ্যে উৎপাদন বার্ষিক ১৪ শতাংশ হারে বৃদ্ধি বজায় রেখে রপ্তানির মূল্য ৭৬ থেকে ৮১ বিলিয়ন ডলারের সীমানায় নিয়ে যাওয়া যায় কি না।
সূত্র: thehindubusinessline.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া সূত্রের ভিত্তিতে এআই-এর মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।