
Global photovoltaic waste could reach between 297 million and 402 million tonnes by 2060, according to an international study published in Nature. Recycling the discarded panels could create nearly $1 trillion in…
নেচার পত্রিকায় প্রকাশিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় বলা হয়েছে যে ২০৬০ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে ফটোভোলটাইক বর্জ্যের পরিমাণ ২৯ কোটি ৭০ লাখ থেকে ৪০ কোটি ২০ লাখ টনে পৌঁছাতে পারে। বাতিল প্যানেলগুলো রিসাইকেল বা পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করলে প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক মূল্য তৈরি হতে পারে এবং সেই সঙ্গে সিলিকন, রুপা ও তামার মতো উপাদানগুলো পুনরুদ্ধার করা সম্ভব। গবেষকরা ৩২টি অঞ্চলের ১,৭০৮টি রিসাইক্লিং পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে এই সমীক্ষা চালিয়েছেন যেখানে আবর্জনা ব্যবস্থাপনা, উপকরণের দাম, বাণিজ্য এবং ভর্তুকি বিবেচনা করা হয়েছে।
চীন ও অন্যান্য মধ্যম আয়ের দেশগুলো ২০৪০ সালের পর থেকে সবচেয়ে বেশি বর্জ্য তৈরি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে কারণ সেই সময় থেকে প্রাথমিক পর্যায়ের সৌর প্রকল্পগুলো অকেজো হয়ে পড়বে। সোলার প্যানেলে সিসা ও ক্যাডমিয়ামের মতো উপাদান থাকে যা ল্যান্ডফিলে ফেলা হলে পরিবেশের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। গবেষকরা অঞ্চলভিত্তিক রিসাইক্লিং ব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং ধাপে ধাপে ভর্তুকি দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে তারা সতর্ক করে বলেছেন যে দরিদ্র অঞ্চলগুলো বেশি বর্জ্যের ভার বইলেও আর্থিক লাভের দিক থেকে পিছিয়ে থাকতে পারে।
একটি প্রচলিত ধারণা হলো সৌরবিদ্যুৎ যেহেতু পরিবেশবান্ধব তাই এর কোনো বর্জ্য সমস্যা নেই। আবার এর ঠিক উল্টোটাও শোনা যায় যে প্যানেল বর্জ্য সৌরশক্তির জলবায়ুগত সুবিধাকে নস্যাৎ করে দেবে। বর্তমান গবেষণা কোনোটিকেই পুরোপুরি সমর্থন করে না। রিসাইক্লিংয়ের মাধ্যমে মূল্যবান উপাদান পুনরুদ্ধার করে দূষণ কমানো সম্ভব কিন্তু প্যানেলগুলো বড় সংখ্যায় অকেজো হওয়ার আগেই উপযুক্ত পরিকাঠামো, নিয়মকানুন এবং সঠিক বিনিয়োগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। প্যানেলের ২৫ থেকে ৩০ বছরের আয়ু শেষ হওয়ার আগেই বিভিন্ন দেশ কতটা সক্ষমতা গড়ে তুলতে পারে সেটাই এখন আসল পরীক্ষা।
উৎস: timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া উৎসের ভিত্তিতে এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।