
UP Special Task Force inspector Sunil Kumar has been awarded the Kirti Chakra posthumously, the second-highest peacetime gallantry award, for exceptional courage during an encounter with armed criminals in Shamli district in…
২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে শামলি জেলায় সশস্ত্র অপরাধীদের সঙ্গে এনকাউন্টারে অসামান্য সাহসিকতার প্রদর্শনের জন্য ইউপি এসটিএফ ইনস্পেক্টর সুনীল কুমারকে মরণোত্তর কীর্তি চক্র প্রদান করা হয়েছে। এটি শান্তির সময়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান। তিনিই প্রথম ইউপি এসটিএফ সদস্য যিনি এই সম্মানে ভূষিত হলেন। ঝিনঝানা এলাকায় মুকিম কালা গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়ার সময় ২০ জানুয়ারি সুনীল কুমার গুরুতর আহত হন। এরপর ২২ জানুয়ারি গুরুগ্রামের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
তথ্য অনুযায়ী সুনীল কুমারের দলের কাছে গোপন খবর ছিল যে ১ লক্ষ টাকার পুরস্কার ঘোষিত গ্যাংস্টার আরশাদ ও তার সঙ্গীরা একটি সাদা গাড়িতে করে পালাচ্ছে। অপরাধীদের তীব্র গুলিবর্ষণ সত্ত্বেও সুনীল কুমার তাদের দিকে এগিয়ে যান এবং সেই সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। এই এনকাউন্টারে তিন অপরাধী নিহত হয়। ২০২৩ সালের একটি এনকাউন্টারের জন্য গত স্বাধীনতা দিবসে সুনীল কুমারকে মরণোত্তর গ্যালান্ট্রি মেডেলও প্রদান করা হয়েছিল।
সুনীল কুমারের মতো ব্যক্তিদের সাহসিকতার গল্প জাতীয় স্তরে প্রশংসা পেলেও তা এসটিএফ দলের কর্মীদের তীব্র জনবল সংকট ও প্রয়োজনীয় সুরক্ষাকবচের অভাবের মতো বাস্তব সমস্যাগুলোকে আড়াল করে দেয়। এর ফলে অনেক সময় এসটিএফ দলকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। প্রতি বছর দেশজুড়ে শত শত পুলিশকর্মী কর্তব্যরত অবস্থায় প্রাণ হারান। প্রশ্নটি কেবল একজন বীরকে পদক দেওয়া নয় বরং এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের সেই সুরক্ষা প্রোটোকলগুলো খতিয়ে দেখা উচিত যা হয়তো তাকে বাঁচাতে পারত।
সূত্র: hindustantimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া সূত্রের ভিত্তিতে এআই প্রযুক্তি দ্বারা তৈরি।