
A new study by the Open Network for Digital Commerce (ONDC) says India's cab drivers could take home up to Rs 1.36 lakh more each year if ride-hailing platforms switched to a…
ওপেন নেটওয়ার্ক ফর ডিজিটাল কমার্স বা ওএনডিসি-র এক নতুন সমীক্ষায় বলা হয়েছে যে রাইড শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মগুলো যদি জিরো কমিশন বা সফটওয়্যার-অ্যাজ-আ-সার্ভিস বা স্যাস মডেলে চলে তবে ভারতের ক্যাব চালকরা বছরে ১.৩৬ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বাড়তি উপার্জন করতে পারবেন। উবার বা ওলার মতো অ্যাগ্রিগেটরদের ২০ থেকে ৩০ শতাংশ কমিশন দেওয়ার পরিবর্তে চালকরা একটি নির্দিষ্ট সাবস্ক্রিপশন ফি দিয়ে তাদের উপার্জনের পুরোটাই নিজেদের কাছে রাখতে পারবেন। সমীক্ষাটির দাবি যে ওপেন নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা ছোট শহরগুলোতেও পরিষেবার মান উন্নত করবে।
তবে এই মডেলটি কর সংক্রান্ত জটিলতার মুখে পড়েছে। জিএসটি আইনের ৯(৫) ধারা অনুযায়ী ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলো যাত্রী পরিবহনের উপর জিএসটি দিতে বাধ্য। এটি এমন একটি নিয়ম যা কমিশন ভিত্তিক অ্যাপগুলোর কথা মাথায় রেখে তৈরি হয়েছে যারা ভাড়ার উপর নিয়ন্ত্রণ রাখে। স্যাস প্ল্যাটফর্মগুলোর কাছে যাত্রীরা চালকদের কত টাকা দিচ্ছেন তার কোনো তথ্য থাকে না এবং কর্ণাটকের অগ্রিম রায় এ বিষয়ে পরস্পরবিরোধী। সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রায় ৯০ শতাংশ চালক জানিয়েছেন যে তাদের আয় প্ল্যাটফর্মের কাজের উপরই নির্ভরশীল।
ওএনডিসি-র এই সমীক্ষাকে উবার বা ওলার মতো প্ল্যাটফর্মগুলো চালকদের ঠকাচ্ছে তার প্রমাণ হিসেবে দেখানো হচ্ছে। তবে এই বর্ণনায় দুটি বাস্তব সত্য উপেক্ষা করা হয়েছে। প্রথমত নাম্মা যাত্রীর মতো জিরো কমিশন স্যাস মডেলগুলো এখনো আকারে ছোট এবং বড় পরিসরে সেগুলোর কার্যকারিতা প্রমাণিত নয়। দ্বিতীয়ত জিএসটি আইনের ৯(৫) ধারার কর বিভ্রান্তি কেবল একটি আইনি মারপ্যাঁচ নয়। যদি প্ল্যাটফর্মগুলোকে এমন ভাড়ার জন্য দায়ী করা হয় যা তাদের হাত দিয়েই যায়নি তবে এই মডেলটি মুখ থুবড়ে পড়তে পারে। চালকদের আয়ের পরিসংখ্যানকে গুরুত্ব দেওয়ার আগে কর্ণাটকের অগ্রিম রায়ের জট জিএসটি কাউন্সিল মেটাতে পারে কি না তা দেখার অপেক্ষায় থাকতে হবে।
সূত্র: economictimes.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লিখিত উৎসের তথ্য থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।