
The Union Health Ministry has amended the Drugs Rules, 1945, allowing licensing authorities to bar pharmaceutical entities from filing applications for a specified period if they submit fake or fabricated data. The…
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক ড্রাগস রুলস ১৯৪৫ সংশোধন করেছে। এর ফলে কোনো ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা ভুয়া বা কারচুপি করা তথ্য জমা দিলে লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তাদের নতুন আবেদন করার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারবে। এই নিয়ম রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করা আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। আবেদন বাতিল বা লাইসেন্স কেড়ে নেওয়ার মতো বর্তমান ব্যবস্থার পাশাপাশি এই নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
নতুন নিয়মে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক এবং সংস্থাগুলো আপিল করার সুযোগ পাবে। মন্ত্রক জানিয়েছে যে ওষুধের গুণমান ও কার্যকারিতা যাচাইয়ের জন্য নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক তথ্য অত্যন্ত জরুরি। দ্য নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের তথ্য অনুযায়ী এই বিজ্ঞপ্তি ১৬ অক্টোবর ২০২৫ সালে জারি হয়েছে, অন্যদিকে দ্য ইকোনমিক টাইমস জানাচ্ছে যে এটি ৬ আগস্ট ২০২৬ সালে কার্যকর হয়েছে।
নিয়ন্ত্রক সংস্থায় মিথ্যা তথ্য দেওয়ার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা রোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং ওষুধের অনুমোদনের ওপর আস্থা বাড়াবে। নোটিশ ও আপিলের সুযোগ থাকাটা জরুরি কারণ এই নিয়ন্ত্রক সিদ্ধান্তের ওপর কোম্পানি ও ওষুধের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে। নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বা এর প্রয়োগের পদ্ধতির বিস্তারিত তথ্য খবরে উল্লেখ নেই, তাই এই নিয়মের মাধ্যমে খুব দ্রুত দুর্নীতি নির্মূল হবে বলে যে দাবি করা হচ্ছে তা নিয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের দেওয়া বিজ্ঞপ্তির তারিখ নিয়েও অস্পষ্টতা রয়ে গেছে।
সূত্র (৩): hindustantimes.com, economictimes.indiatimes.com, newindianexpress.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত ৩টি তথ্যের ভিত্তিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।
আপডেট: এই প্রতিবেদনটিতে ৩টি সূত্রের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে।