
The Patna High Court has ruled that failing to pay the balance sale consideration under an agreement does not by itself amount to cheating unless dishonest or fraudulent intention existed when the…
চুক্তি অনুযায়ী বাকি বিক্রয় মূল্য পরিশোধ করতে ব্যর্থ হওয়াকে সরাসরি প্রতারণা বলা যায় না বলে রায় দিয়েছে পাটনা হাইকোর্ট। আদালত জানিয়েছে, প্রতিশ্রুতি দেওয়ার সময় কোনো অসৎ বা প্রতারণামূলক উদ্দেশ্য না থাকলে একে প্রতারণা হিসেবে গণ্য করা যাবে না। বিচারপতি অলোক কুমার পাণ্ডে পর্যবেক্ষণ করেছেন যে, কোনো পক্ষ পরে প্রতিশ্রুতি রাখতে ব্যর্থ হলেই তাদের উদ্দেশ্য অসৎ ছিল এমনটা ধরে নেওয়া যায় না। একটি জমি কেনাবেচার মামলায় ১.৮০ কোটি টাকা পরিশোধ করা হলেও ৯০.২০ লক্ষ টাকা বকেয়া ছিল। প্রতারণার অভিযোগ তুলে দায়ের করা একটি ফৌজদারি মামলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত খারিজ করে দিয়েছিল এবং রিভিশনাল আদালতও সেই রায় বহাল রাখে। হাইকোর্ট এই আদেশে হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করে জানিয়েছে যে, এখানে প্রতারণার প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো অনুপস্থিত।

এই রায়টি প্রতিটি চুক্তিভঙ্গকে ফৌজদারি মামলায় পরিণত করার ক্রমবর্ধমান প্রবণতাকে রোধ করবে। দেওয়ানি বিষয় এবং ফৌজদারি প্রতারণার মধ্যে সীমারেখা স্পষ্ট, প্রতিশ্রুতি দেওয়ার সময় অবশ্যই অসৎ উদ্দেশ্য থাকতে হবে। তবে প্রশ্ন থেকেই যায়, একজন ক্রেতা যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ছোট অংকের টাকা দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে বাকি টাকা দিতে অস্বীকার করেন, তবে তা কি প্রাথমিক দুর্নীতির লক্ষণ নয়? আদালত জানিয়েছে, অতিরিক্ত কোনো প্রমাণ ছাড়া একে প্রতারণা বলা যাবে না। প্রাথমিক পেমেন্ট মোট দামের তুলনায় নগণ্য হলে নিম্ন আদালত কীভাবে এই রায় প্রয়োগ করবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
সূত্র: livelaw.in
এই প্রতিবেদনটি এআই ব্যবহার করে সংকলন করা হয়েছে।