
The government has for the first time fixed maximum LPG production targets for 21 public and private refineries and upstream companies to build a domestic buffer after the West Asia conflict exposed…
প্রথমবারের মতো ২১টি শোধনাগার ও আপস্ট্রিম কোম্পানির জন্য সর্বোচ্চ এলপিজি উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করল সরকার, যার মোট ধারণক্ষমতা দৈনিক ৬৩,৮১০ টন। জামনগরে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের দেশীয় শোধনাগার পেয়েছে সর্বোচ্চ কোটা—দৈনিক ১৮,০০০ টন। সরবরাহ সঙ্কটকালে এই উৎপাদন সীমা সক্রিয় করা হবে।
পশ্চিম এশিয়া সঙ্কটের সময় হরমুজ প্রণালী অবরোধের কারণে আমদানি ব্যাহত হওয়ার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হল—ভারত তার এলপিজি চাহিদার ৬৪% এরও বেশি আমদানি করত ওই পথে। জরুরি অবস্থায় সরকার শোধনাগারগুলিকে সর্বোচ্চ উৎপাদনের নির্দেশ দেয়, শিল্প গ্রাহকদের সরবরাহ কমিয়ে দেয় এবং পরিবারগুলিকে পাইপযুক্ত গ্যাসে স্যুইচ করতে উৎসাহিত করে। দৈনিক দেশীয় উৎপাদন বাড়িয়ে ৫৫,০০০ টনে পৌঁছানো হয়েছিল কিন্তু সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার পর সেই আদেশ প্রত্যাহার করা হয়।
নতুন কাঠামোতে কোম্পানিগুলিকে এলপিজি সংরক্ষণ, উচ্ছেদ ও পরিবহন পরিকাঠামো বজায় রাখতে হবে এবং উৎপাদন বাড়ানোর জন্য আপগ্রেড করতে হবে। সরকার যেকোনো সময় পর্যাপ্ত সরবরাহ ও ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে উচ্চ উৎপাদনের নির্দেশ দিতে পারে। উৎপাদন সময়সূচি প্রতি ছয় মাস পর পর পর্যালোচনা করা হবে।
সূত্র: newindianexpress.com
এই বিবরণ উল্লিখিত সূত্র থেকে এআই-এর সাহায্যে তৈরি।