
Tier-2 and Tier-3 cities now account for 53% of India's foreign exchange demand, according to Thomas Cook India's Forex Report 2026. Tier-2 cities contributed 41% and Tier-3 cities 12%, while metros and…
থমাস কুক ইন্ডিয়ার ২০২৬ সালের ফরেক্স রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদার ৫৩ শতাংশ এখন টিয়ার-২ এবং টিয়ার-৩ শহর থেকে আসছে। ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত লেনদেনের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, টিয়ার-২ শহরগুলোর অবদান ৪১ শতাংশ এবং টিয়ার-৩ শহরগুলোর অবদান ১২ শতাংশ। অন্যদিকে মেট্রো শহরসহ টিয়ার-১ শহরগুলোর দখলে রয়েছে বাকি ৪৭ শতাংশ চাহিদা।
তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বিনোদনমূলক ভ্রমণ, যার অবদান ৫৭ শতাংশ। এর পরেই রয়েছে কর্পোরেট ভ্রমণ ২৭ শতাংশ এবং শিক্ষার্থী ভ্রমণ ১৬ শতাংশ। মোট চাহিদার ৪৯ শতাংশ দখল করে শীর্ষে আছে মার্কিন ডলার। পঁচিশ থেকে চল্লিশ বছর বয়সী গ্রাহকদের ব্যবহারের হার ৩৭ শতাংশ। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ডিজিটাল মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা কেনার হার বছরে ২৫ শতাংশ বেড়েছে, তবে এখনো ৭৫ শতাংশ লেনদেন শাখা অফিসের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়।
সাধারণ ধারণা হলো, ভারতের পর্যটন শিল্পের জোয়ার কেবল মেট্রো শহরগুলোতেই সীমাবদ্ধ। তবে এই তথ্য প্রমাণ করে যে ছোট শহরগুলোই এখন উন্নয়নের আসল চালিকাশক্তি। আসল চমক হলো ডিজিটাল পরিবর্তনের হার। ডিআইওয়াই প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার ৫০ শতাংশ বাড়লেও শাখা অফিসগুলো এখনো মোট লেনদেনের তিন-চতুর্থাংশ ধরে রেখেছে। আগামী রিপোর্টে ডিজিটাল লেনদেনের হার ৩০ শতাংশ ছাড়ায় কিনা, নাকি আস্থা ও পরিষেবার খাতিরে মানুষ এখনো শাখা অফিসেই ভিড় করে, তা দেখার বিষয়। এই পরিসংখ্যানই বলে দেবে বৈদেশিক মুদ্রার বাজার প্রকৃত অর্থে আধুনিক হচ্ছে নাকি শুধু আকারে বড় হচ্ছে।
সূত্র: thehindubusinessline.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত সূত্র থেকে এআই ব্যবহার করে সংকলিত হয়েছে।