
A 2024 study by Byung-Jik Kim and Julak Lee, based on a survey of 418 South Korean professionals, finds that AI adoption in the workplace does not directly cause burnout but significantly…
২০২৪ সালে বিয়ুং-জিক কিম ও জুলাক লি-র একটি গবেষণা, যা ৪১৮ জন দক্ষিণ কোরিয়ার পেশাদারের উপর জরিপের ভিত্তিতে পরিচালিত, দেখা গেছে যে কর্মক্ষেত্রে এআই গ্রহণ সরাসরি বার্নআউট সৃষ্টি করে না, তবে এটি কাজের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেয়, যা পরবর্তীতে বার্নআউটের পূর্বাভাস দেয়। হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস কমিউনিকেশনস-এ প্রকাশিত এই গবেষণায় চার ধরনের টেকনো-স্ট্রেস তুলে ধরা হয়েছে: টেকনো-ওভারলোড, টেকনো-ইনসিকিউরিটি, টেকনো-কমপ্লেক্সিটি এবং টেকনো-আনসার্টেইন্টি। এই চাপগুলি কর্মীদের কম স্বায়ত্তশাসিত এবং অ্যালগরিদমিক সিস্টেমের সম্প্রসারণের মতো অনুভব করায়, যা মানসিক ক্লান্তি ও বিচ্ছিন্নতায় অবদান রাখে।

গবেষণাটি তিনটি মনস্তাত্ত্বিক তত্ত্ব প্রয়োগ করেছে: জব ডিমান্ডস-রিসোর্সেস মডেল, কনজারভেশন অফ রিসোর্সেস থিওরি এবং ট্রানজ্যাকশনাল মডেল অফ স্ট্রেস অ্যান্ড কপিং, যা ব্যাখ্যা করে কিভাবে এআই স্থাপনা মানসিক স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করে। এটি দেখা গেছে যে এআই শেখার ক্ষেত্রে কম আত্মবিশ্বাসী (নিম্ন স্ব-কার্যকারিতা) কর্মীরা অসহায়ত্ব ও বার্নআউটের জন্য বেশি প্রবণ। লেখকরা যুক্তি দেন যে এটি এআই নিজেই নয়, বরং এটি কীভাবে পরিচালিত হয় এবং সাংগঠনিক পরিবেশে একীভূত হয় যা কর্মীদের ক্ষতি করে। অ্যালগরিদমিক যুগে বার্নআউট এখন শুধু অতিরিক্ত কাজ নয়, বরং বিচ্ছিন্নতা ও ডিজিটাল ওভারলোডের মধ্যে নিহিত।
সূত্র: telanganatoday.com
এই গল্পটি উপরের উল্লেখিত উৎস থেকে এআই দ্বারা সংশ্লেষিত হয়েছে।