
Japanese Prime Minister Takaichi did not visit the Yasukuni Shrine on the anniversary of World War II's end, avoiding a site that has long inflamed tensions with China and South Korea. The…
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি বার্ষিকীতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি ইয়াসুকুনি মন্দিরে যাননি। টোকিওর এই মন্দিরটি চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু। এখানে ২৪ লক্ষাধিক যুদ্ধবিমানের স্মৃতির উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা জানানো হয়। তবে ১৯৭৮ সালে ১৪ জন যুদ্ধাপরাধীর নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর থেকেই এই মন্দিরটি বিতর্কের মুখে পড়েছে। অতীতে জাপানের নেতাদের সফর নিয়ে তীব্র কূটনৈতিক প্রতিবাদের সৃষ্টি হয়েছিল।
তাকাইচির এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য না করা প্রমাণ করে যে তিনি জাপানের আঞ্চলিক সম্পর্কের মোড় ঘোরানোর পরিবর্তে স্পর্শকাতর বিষয়টি এড়িয়ে চলছেন। আগামী কয়েক সপ্তাহে চীন বা দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তাদের প্রতিক্রিয়া থেকে স্পষ্ট হবে যে তিনি কি সম্পর্ক নতুন করে গড়ার চেষ্টা করছেন নাকি পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার অপেক্ষায় আছেন। আসল পরীক্ষা হলো জাপানি প্রধানমন্ত্রী কি এর পরিবর্তে কোনো আনুষ্ঠানিক উপহার বা নৈবেদ্য পাঠান কি না।
সূত্র: ndtv.com
এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে উল্লেখিত উৎস থেকে সংকলিত হয়েছে।