
Ola Electric has moved beyond electric scooters into a full-fledged energy storage business, unveiling a three-tier Shakti portfolio for homes, commercial facilities and grid-scale applications. The range includes Shakti Gen2 for residential…
ইলেকট্রিক স্কুটারের গণ্ডি পেরিয়ে ওলা ইলেকট্রিক এবার শক্তি এনার্জি স্টোরেজ ব্যবসায় পা রাখল এবং বাড়ি, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও গ্রিড ব্যবহারের জন্য তিনটি স্তরের পোর্টফোলিও উন্মোচন করল। এই তালিকায় রয়েছে আবাসিক ব্যবহারের জন্য শক্তি জেন২, ব্যবসার জন্য শক্তি র্যাক এবং ৬.২৬ মেগাওয়াট আওয়ার পর্যন্ত কন্টেইনারাইজড স্টোরেজের জন্য মহাশক্তি। এই পুরো ব্যবস্থাটি ওলার নিজস্ব লিথিয়াম আয়ন ফসফেট (এলএফপি) সেল প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
প্রতিষ্ঠাতা ভাবিশ আগরওয়াল এই নতুন উদ্যোগকে ভারতের জ্বালানি স্বনির্ভরতার অংশ হিসেবে তুলে ধরেছেন। মূল কোম্পানি তাদের ইভি এবং ব্যাটারি সাবসিডিয়ারিগুলোতে ২,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে। অন্যদিকে, ওলা ইলেকট্রিক অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে তাদের রাজস্ব ৪৫ শতাংশ কমে ২৯৫ কোটি টাকা হয়েছে বলে জানিয়েছে, যদিও কোম্পানিটির নিট লোকসান কমে ৩৩৬ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।
ওলা ইলেকট্রিকের জ্বালানি স্বনির্ভরতার দাবি ঘিরে তৈরি হওয়া শোরগোলের আড়ালে একটি কঠিন প্রশ্ন চাপা পড়ে যাচ্ছে। ইভি বিক্রি কমতে থাকা অবস্থায় কোম্পানিটি কি দ্বিতীয় একটি বড় মূলধনের ব্যবসায় সফল হতে পারবে? শক্তি পোর্টফোলিওর জন্য ৫০,০০০ গ্রাহকের আগ্রহের কথা বেশ আশাব্যঞ্জক শোনালেও স্কুটারের ক্ষেত্রে ওলার দীর্ঘসূত্রতার ইতিহাস মাথায় রাখলে অতি উৎসাহ দেখানো ঠিক হবে না। তাই কেবল গ্রাহকের আগ্রহের সংখ্যা নয় বরং প্রকৃত সরবরাহ এবং মহাশক্তি চালুর সময়সীমার দিকে নজর রাখা জরুরি। ওলা কি তাদের মূল ব্যবসায় চাপের মুখে পড়া সত্ত্বেও বড় আকারে হার্ডওয়্যার তৈরি করতে পারবে?
সূত্র: economictimes.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া সূত্রের ভিত্তিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।