
Removing 58 feral pigs from Clipperton Island in 1958 helped its Brown and Masked Booby populations recover from about 650 birds to more than 137,000 by 2003, according to Times of India.…
টাইমস অফ ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, ১৯৫৮ সালে ক্লিপারটন দ্বীপ থেকে ৫৮টি বন্য শূকর সরিয়ে ফেলার ফলে সেখানে ব্রাউন ও মাস্কড বুবি পাখির সংখ্যা ৬৫০ থেকে বেড়ে ২০০৩ সাল নাগাদ ১ লক্ষ ৩৭ হাজার ছাড়িয়ে যায়। আমেরিকান পক্ষীবিদ কেনেথ স্টেগার লক্ষ্য করেছিলেন যে শূকরগুলো স্থলচর কাঁকড়া খেয়ে ফেলছিল এবং পাখির বাসস্থানে বিঘ্ন ঘটাচ্ছিল, যার পর তিনি সবগুলোকে মেরে ফেলার সিদ্ধান্ত নেন।

শূকর সরিয়ে ফেলার ফলে স্থলচর কাঁকড়ার সংখ্যা আবার বাড়তে শুরু করে। এই কাঁকড়াগুলো দ্বীপের গাছপালা ও ছোট নারকেল গাছ নিয়ন্ত্রণে রাখত, যা প্রশান্ত মহাসাগরীয় এই ক্ষুদ্র দ্বীপটিতে পাখির বাসা বাঁধার জন্য উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করে। ২০০৩ সালের আকাশপথে তোলা ছবিতে ২৫ হাজারেরও বেশি ব্রাউন বুবি এবং ১ লক্ষ ১২ হাজার মাস্কড বুবি গণনা করা হয়। ১৯৯৯ ও ২০০০ সালে জাহাজডুবির পর সেখানে কালো ইঁদুরের উপদ্রব শুরু হলে এই পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া নতুন হুমকির মুখে পড়ে।
সহজ কথায় বললে, একটি ক্ষতিকারক প্রজাতিকে সরিয়ে দিলেই দ্বীপের পরিবেশের তাৎক্ষণিক উন্নতি সম্ভব হয়েছে। তবে বিষয়টি আরও জটিল। শূকরগুলো কাঁকড়া ও গাছপালার ভারসাম্য নষ্ট করেছিল এবং পাখির কলোনি ফিরে আসতে কয়েক দশক সময় লেগেছে, যা পরে আবার কালো ইঁদুরের কবলে পড়ে। আবার এমন দাবিও ঠিক নয় যে, সব হস্তক্ষেপেই একটি সমস্যার বদলে অন্য সমস্যা তৈরি হয়। আসল পরীক্ষা হলো ইঁদুর দমনের মাধ্যমে ১৯৫৮ সালের পর অর্জিত সাফল্য টিকিয়ে রাখা সম্ভব কি না।
সূত্র: timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত তথ্যের ভিত্তিতে এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।