
By 2005, a herd of 25 caribou released on Adak Island in 1958 as emergency food for US military personnel had grown to 2,750 animals, according to Alaska Department of Fish and…
১৯৫৮ সালে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সদস্যদের জরুরি খাদ্য হিসেবে আডাক দ্বীপে আনা ২৫টি ক্যারিবুর সংখ্যা ২০০৫ সালের মধ্যে বেড়ে ২৭৫০টিতে দাঁড়িয়েছে বলে আলাস্কা ডিপার্টমেন্ট অফ ফিশ অ্যান্ড গেমের তথ্যে উঠে এসেছে। স্নায়ুযুদ্ধের সময় যখন পরিকল্পনাকারীরা মনে করতেন দুর্গম ঘাঁটিগুলো রসদ সরবরাহের পথ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে, তখন আলাস্কার মূল ভূখণ্ড থেকে বিমানযোগে এসব ক্যারিবু আনা হয়েছিল। কয়েক দশক ধরে সেখানে মোতায়েন সেনাসদস্যদের শিকারের কারণে এই সংখ্যা ৩০০ থেকে ৬০০-র মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু ১৯৯৪ সালে নেভাল এয়ার স্টেশন আডাক বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর শিকার কমে যায় এবং পালের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে। এর ফলে অতিরিক্ত চারণের কারণে মাটি ক্ষয় হচ্ছে এবং ধীরগতিতে বেড়ে ওঠা লাইকেনের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। কিছু ক্যারিবু পার্শ্ববর্তী কাগালাস্কা দ্বীপেও ছড়িয়ে পড়েছে, যা আলেউতিয়ান দ্বীপপুঞ্জের অন্যান্য অংশে এদের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
আডাক দ্বীপের ক্যারিবুর এই ঘটনাকে প্রায়শই পরিবেশগত স্বল্পমেয়াদী সিদ্ধান্তের সতর্কতামূলক উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তবে এটি এও প্রমাণ করে যে কীভাবে স্নায়ুযুদ্ধের সামরিক পরিকল্পনা একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ খাদ্য ভাণ্ডার তৈরি করেছিল, যা মূল উদ্দেশ্য শেষ হওয়ার পরই কেবল একটি সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা এই পালের বিস্তার অন্য দ্বীপে রোধ করতে পারেন কি না সেটিই এখন আসল পরীক্ষা। পরবর্তী যৌথ আদমশুমারিতে কতগুলো ক্যারিবুকে নিধন করা হবে?
সূত্র: timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া উৎসের ভিত্তিতে এআই দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।