
Former Cambridge professor Jason Arday, 41, was found unresponsive at an address in Battersea, south London, on Friday and was pronounced dead at the scene. Police said his death was unexpected but…
কেমব্রিজের প্রাক্তন ৪১ বছর বয়সী অধ্যাপক জেসন আরডেকে শুক্রবার দক্ষিণ লন্ডনের ব্যাটারসিতে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায় এবং ঘটনাস্থলেই তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে তার মৃত্যু অপ্রত্যাশিত হলেও সন্দেহজনক নয়। অ্যান্ডি বার্নহাম এই ঘটনাকে বহুমাত্রিক ট্র্যাজেডি বলে অভিহিত করেছেন এবং দ্রুত কোনো সিদ্ধান্তে না পৌঁছানোর পরামর্শ দিয়েছেন।

পিএইচডি থিসিসে চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ এবং নিজের অতীত সম্পর্কে করা অন্যান্য দাবি নিয়ে বিতর্কের মুখে গত সপ্তাহে জেসন আরডে কেমব্রিজের সোসিওলজি অফ এডুকেশনের অধ্যাপকের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। তিনি অবশ্য চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। তার পরিবারের দাবি তিনি ভুল তথ্যের প্রচারণার শিকার হয়েছিলেন এবং তার পদত্যাগপত্রে জনসমক্ষে আসা অভিযোগের গভীর মানসিক চাপের কথা উল্লেখ ছিল। কেমব্রিজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে তারা তার নিয়োগ এবং কাজের বিষয়ে তদন্ত করবে।

জোরালো বয়ানগুলো ইতিমধ্যেই আরডের মৃত্যুকে হয় শিক্ষাঙ্গনের অবক্ষয়ের প্রমাণ অথবা সমালোচকদের দ্বারা সৃষ্ট বলির পাঁঠা হিসেবে তুলে ধরছে। এই কোনো সিদ্ধান্তই এখনও প্রতিষ্ঠিত নয়। অভিযোগ তার অস্বীকার করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত তদন্ত ও পুলিশের প্রতিবেদনকে অবশ্যই আলাদা করে দেখতে হবে। জনসমক্ষে করা সমালোচনা গুরুতর অসদাচরণ প্রকাশ করতে পারে তবে অনলাইন প্রচারণা আইনি প্রক্রিয়ার বিকল্প হতে পারে না। আসল পরীক্ষা হলো কেমব্রিজের পর্যালোচনা থেকে কোনো প্রমাণ উঠে আসে কি না এবং পুলিশ মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে পারে কি না তার ওপর।
সূত্র (২): timesofindia.indiatimes.com, hindustantimes.com
এই সংবাদটি উপরে উল্লিখিত দুটি সূত্র থেকে এআই ব্যবহার করে সংকলিত হয়েছে।
আপডেট: এই প্রতিবেদনে দুটি সূত্র ব্যবহার করা হয়েছে।