
The Income Tax Appellate Tribunal’s Surat bench has ruled that bank deposits cannot automatically be treated as taxable income under Section 44AD. Tax authorities must first examine the source and nature of…
আয়কর আপিল ট্রাইব্যুনালের সুরাট বেঞ্চ রায় দিয়েছে যে ৪৪এডি ধারার আওতায় ব্যাঙ্ক জমার সমস্ত অর্থকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে করযোগ্য আয় হিসেবে গণ্য করা যাবে না। ট্রাইব্যুনাল জানিয়েছে যে কর কর্তৃপক্ষকে আগে ওই অর্থের উৎস ও প্রকৃতি যাচাই করতে হবে। এই ঘটনাটি জাকির ইয়াকুবভাই প্যাটেল নামে এক ফল ব্যবসায়ীর সঙ্গে সম্পর্কিত, যিনি অনুমানভিত্তিক কর কাঠামোয় ১৪.৫৭ লক্ষ টাকা করযোগ্য আয় হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। নোট বাতিলের সময় হওয়া ব্যাঙ্ক লেনদেন যাচাইয়ের পর কর নির্ধারণকারী আধিকারিক তার আয় প্রায় ৫.০৯ কোটি টাকা বলে অনুমান করেছিলেন।
ওই আধিকারিক প্রায় ২.৪৩ কোটি টাকার ব্যাঙ্ক জমা, ৭১.৮৭ লক্ষ টাকার অসুরক্ষিত ঋণ এবং ১.৭৯ কোটি টাকার ঋণ ও অগ্রিম অর্থ তার আয়ের সঙ্গে যুক্ত করেছিলেন। প্যাটেল জানিয়েছিলেন যে প্রকৃত ব্যাঙ্ক জমার পরিমাণ ছিল ৮৯.১৬ লক্ষ টাকা এবং কিছু ঋণ আগের বছরের। ট্রাইব্যুনাল হিসাবের মধ্যে ভুল খুঁজে পেয়েছে, তবে কর নির্ধারণ বাতিল না করে পুনরায় যাচাইয়ের জন্য মামলাটি ফেরত পাঠিয়েছে।
৪৪এডি ধারা ছোট ব্যবসায়ীদের কর ফাঁকির ছাড়পত্র দেয়, এমন ধারণা ভুল। আবার ব্যাঙ্কে আসা প্রতিটি টাকাই যে মুনাফা, তাও সঠিক নয়। অনুমানভিত্তিক কর কাঠামোরও কিছু শর্ত থাকে এবং হিসাবহীন অর্থ তল্লাশির মুখে পড়তে পারে। এই মামলাটি একটি মৌলিক দায়িত্বের দিকে ইঙ্গিত করে। তা হলো, বিশাল অঙ্কের কর যোগ করার আগে কর আধিকারিকদের অবশ্যই ব্যাঙ্ক নথির সঙ্গে তথ্যের সামঞ্জস্য যাচাই করতে হবে। যাচাইয়ের পর চূড়ান্ত কর নির্ধারণই বলে দেবে যে আয়কর দপ্তরের দাবি কতটা যুক্তিযুক্ত, প্রাথমিক ৫.০৯ কোটির অনুমান নয়।
সূত্র: hindustantimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত তথ্যের ভিত্তিতে এআই-এর সহায়তায় তৈরি করা হয়েছে।