
The Federal recounts how nationalist newspapers and journals mobilised Indians against British rule, despite severe repression. Bal Gangadhar Tilak was prosecuted thrice for sedition and deported to Mandalay for six years for…
ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে ভারতীয়দের ঐক্যবদ্ধ করতে জাতীয়তাবাদী সংবাদপত্র ও জার্নালগুলো কীভাবে কঠোর দমননীতির মোকাবিলা করেছিল, তা দ্য ফেডারেল তার প্রতিবেদনে তুলে ধরেছে। কেশরী পত্রিকায় নিজের লেখার জন্য বাল গঙ্গাধর তিলক তিনবার রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় অভিযুক্ত হন এবং ছয় বছরের জন্য ম্যান্ডালয়ে নির্বাসিত হন। ১৯২২ সালে মহাত্মা গান্ধী ইয়াং ইন্ডিয়া পত্রিকায় লেখা প্রবন্ধের জন্য দোষ স্বীকার করেন এবং তাকে ছয় বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
ভারতের প্রথম সংবাদপত্র বেঙ্গল গেজেট ১৭৮২ সালে গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংসের সমালোচনা করার কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয়। রাজা রামমোহন রায়ের সংবাদ কৌমুদী ও মিরাত-উল-আখবার ব্রিটিশ কর্তৃত্ব ও হিন্দু রক্ষণশীলতা উভয়েরই চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিল, যা ১৮২৩ সালের প্রেস রেগুলেশন প্রণয়নের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ১৮২২ সালে চালু হওয়া বম্বে সমাচার আজও প্রকাশিত হয়।
নির্ভীক জাতীয়তাবাদী সংবাদপত্রের বীরত্বপূর্ণ কাহিনী অনুপ্রেরণাদায়ক হলেও তা অনেক গভীর বিভেদকে আড়াল করেছে। তিলকের হিন্দুত্বের প্রচারক কেশরী অনেক মুসলমানকে বিচ্ছিন্ন করেছিল এবং গান্ধীজির ইয়াং ইন্ডিয়া জাতিভেদ প্রথার বিষয়ে নমনীয় ছিল। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কখনোই নিরঙ্কুশ ছিল না, বরং তা জাতি গঠনের নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গিকে সেবা করেছে। আজকের দিনে আসল পরীক্ষাটি হলো শুধু রাষ্ট্রের চাপের মোকাবিলা করা নয়, বরং ভারতীয় সংবাদমাধ্যম কোনো নির্দিষ্ট মতাদর্শের তোষামোদকারী না হয়ে ক্ষমতার জবাবদিহি চাইতে পারে কি না।
উৎস: thefederal.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া উৎসের ভিত্তিতে এআই দ্বারা সংকলিত হয়েছে।