
India’s streets have remained a key arena for dissent since Independence, with students, farmers, workers and civil society groups protesting over governance, inequality, corruption and representation, The Economic Times reports. Its account…
দ্য ইকোনমিক টাইমস জানাচ্ছে, স্বাধীনতার পর থেকে ভারতের রাজপথ প্রতিবাদের প্রধান কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক ও সুশীল সমাজ শাসন, অসমতা, দুর্নীতি ও প্রতিনিধিত্বের দাবিতে বারবার রাস্তায় নেমেছে। তাদের প্রতিবেদনে জেপি আন্দোলন, চিপকো, মন্ডল কমিশন বিরোধী বিক্ষোভ এবং আন্না হাজারের দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনের মতো বড় ঘটনাগুলো উঠে এসেছে।
জেপি আন্দোলন জরুরি অবস্থার পর ভারতে প্রথম অকংগ্রেসি সরকার গঠনে সাহায্য করেছিল। চিপকো আন্দোলনের জেরে ১৯৮০ সালে হিমালয়ে সবুজ গাছ কাটার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। মন্ডল আন্দোলন জাতি, মেধা ও প্রতিনিধিত্বের বিতর্ককে নতুন রূপ দিয়েছিল। ২০১১ সালে লোকপাল বিলের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে মানুষের ঢল নেমেছিল। এই তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন হলো একই স্থানে আয়োজিত তরুণদের ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ প্রতিবাদ।
একটি অলস ধারণা প্রচলিত আছে যে প্রতিটি রাজপথের প্রতিবাদ হয় গণতন্ত্রকে বাঁচায় অথবা শান্তি শৃঙ্খলাকে বিপন্ন করে। ভারতের রেকর্ড কিন্তু এতটা সরল নয়। কিছু আন্দোলন প্রতিনিধিত্ব বাড়িয়েছে বা নীতি নির্ধারণে ভূমিকা রেখেছে আবার কিছু আন্দোলন গভীর সামাজিক সংঘাত ও রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করেছে। আসল মাপকাঠি ভিড়ের সংখ্যা বা মিডিয়ার হইচই নয়, বরং প্রতিবাদটি স্বচ্ছ বিতর্ক, আইনানুগ ছাড় ও স্থায়ী প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারল কি না তা দেখা জরুরি। যন্তর মন্তরের বর্তমান আন্দোলনের ক্ষেত্রে ক্যামেরা চলে যাওয়ার পর নির্দিষ্ট দাবি ও পরিমাপযোগ্য ফলাফল কী টিকে থাকবে?
সূত্র: economictimes.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে এআই দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।