
The Narcotics Control Bureau (NCB) has repatriated alleged drug kingpin Virender Singh Basoya from the United Arab Emirates, nearly two years after he fled India. Basoya, 50, arrived at Delhi airport on…
ভারত থেকে পালিয়ে যাওয়ার প্রায় দুই বছর পর, মাদক পাচারের মূল হোতা বীরেন্দ্র সিং বাসোয়াকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে শুক্রবার দেশে ফিরিয়ে আনল নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি)। ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে জুন মাসে দুবাইতে গ্রেফতার হওয়ার পর, ৫০ বছর বয়সী বাসোয়া শুক্রবার ভোরে দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছান। মেফেড্রোন এবং কোকেন পাচারের আন্তর্জাতিক চক্র পরিচালনার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ১,৮০০ কেজির বেশি মেফেড্রোন (যার মূল্য ২,৫০০ কোটি টাকা) এবং অক্টোবর মাসে দিল্লি পুলিশের ১,২৮৯ কেজি কোকেন (যার আনুমানিক মূল্য ১২,০০০ থেকে ১৩,০০০ কোটি টাকা) উদ্ধারের ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন যে এই অভিযান প্রমাণ করে অপরাধীরা ভারতের আইন থেকে পার পাবে না। বাসোয়াকে আদালতে হাজির করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

বাসোয়ার প্রত্যর্পণকে সরকার তাদের জিরো টলারেন্স নীতির প্রমাণ হিসেবে প্রচার করছে। তবে কেবল একজন বড় মাপের অপরাধীকে গ্রেফতার করলেই এই আন্তর্জাতিক মাদক চক্র ভেঙে পড়বে না। কোকেন উদ্ধারের আনুমানিক মূল্য ১২,০০০ থেকে ১৩,০০০ কোটি টাকা বলা হলেও, এখন পর্যন্ত কোনো সিনিয়র রাজনীতিবিদ, অর্থলগ্নিকারী বা ফার্মা কোম্পানির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার নাম উঠে আসেনি। প্রকৃত পরীক্ষা তখনই হবে যখন বাসোয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে মূল সরবরাহকারীদের খোঁজ মিলবে। বিশেষ করে সেইসব বৈধ ওষুধ প্রস্তুতকারী কোম্পানিগুলোর ভূমিকা খতিয়ে দেখা দরকার যারা পাচারে ব্যবহৃত রাসায়নিক সরবরাহ করেছে। যদি তদন্তের সেই সূত্রগুলো বন্ধ হয়ে যায়, তবে এটি কেবল একটি বড় সাফল্য হিসেবেই থেকে যাবে কিন্তু মাদক নির্মূলে কোনো কাঠামোগত জয় হবে না।
সূত্র (২): hindustantimes.com, timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত দুটি সূত্র থেকে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।