
Lock Upp 2 winner Shreya Kalra has rejected claims that the reality show was scripted or biased after her victory. During an Instagram question-and-answer session, she asked critics, “If not me then…
‘লক আপ ২’-এর বিজয়ী শ্রেয়া কালরা রিয়্যালিটি শোটি স্ক্রিপ্টেড বা পক্ষপাতদুষ্ট ছিল এমন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। ইনস্টাগ্রামে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি সমালোচকদের জিজ্ঞাসা করেন, “আমি না হলে কে?” এবং উল্লেখ করেন, প্রতিযোগীদের ফিরিয়ে আনা, গোপন কক্ষে রাখা ও সুবিধা দেওয়ার মতো টুইস্ট নিয়ে আগে তেমন সমালোচনা হয়নি।
অকাঙ্ক্ষা চৌধুরী বের হয়ে যাওয়ার পর পুনরায় প্রবেশ করেন, আর যোগেশ রাওয়াত ও হর্ষদ চোপড়া ফাইনালের আগে ওয়াইল্ডকার্ড হিসেবে ফিরে আসেন। ফারাহ খানও শ্রেয়াকে পক্ষপাতিত্ব করার কথা অস্বীকার করেন, জানিয়ে দেন তিনি জানতেন না যে তাঁদের ম্যানেজমেন্ট টিম সংযুক্ত ছিল। শ্রেয়া শিবাঙ্গী জোশিকে পিছনে ফেলে ফাইনালে জয়ী হন এবং ১ কোটি টাকা পুরস্কার পান।
সবচেয়ে জোরালো অভিযোগ এখন যে শ্রেয়া অযোগ্য বিজয়ী এবং প্রতিটি টুইস্টই একটি কারচুপির শো প্রমাণ করে। উভয় যুক্তিই পাওয়া তথ্যের সীমার বাইরে যায়। রিয়্যালিটি শোগুলিতে পুনঃপ্রবেশ ও সুবিধা সাধারণ ব্যাপার, কিন্তু তা চূড়ান্ত ফলাফল ন্যায্য ছিল কিনা তা নির্ধারণ করে না। ফারাহ খানের ব্যাখ্যা একটি সম্ভাব্য দ্বন্দ্বের সমাধান করে, দর্শকদের ধারণার নয়। কার্যকরী পরীক্ষাটি সহজ: প্রকাশিত ভোটিং ও ফাইনালের নিয়ম কী ছিল এবং প্রযোজকরা কি তা সকল ফাইনালিস্টের ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রয়োগ করেছিলেন?
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
এই প্রতিবেদনটি উল্লিখিত সূত্র থেকে এআই দ্বারা সংশ্লেষিত হয়েছে।