
A sharp rise in snakebite cases during the monsoon has driven at least 261 patients to three major government hospitals in Lucknow in July, data shows. RMLIMS saw 89 cases, a 71%…
বর্ষাকালে সাপের কামড়ের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় জুলাই মাসে লখনউয়ের তিনটি বড় সরকারি হাসপাতালে অন্তত ২৬১ জন রোগী চিকিৎসার জন্য ভিড় করেছেন। তথ্য অনুযায়ী আরএমএলআইএমএস হাসপাতালে ৮৯টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে যা জুন মাসের তুলনায় ৭১ শতাংশ বেশি এবং এর মধ্যে ৫০ জনই এসেছেন বারাবাঁকি থেকে। কেজিএমইউ ট্রমা সেন্টারে ১১১টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে যার বেশিরভাগই লখনউয়ের বাইরের রোগী। সিভিল হাসপাতাল ৬১ জন রোগীকে চিকিৎসা দিয়েছে যাদের বেশিরভাগই স্থানীয় বাসিন্দা।
এই ভিড় জেলা স্তরের হাসপাতালগুলিতে পর্যাপ্ত অ্যান্টি-স্নেক ভেনম বা এএসভি, পরিকাঠামো এবং অঙ্গ বিকল হওয়া বা রক্ত জমাট বাঁধার মতো জটিলতা সামলানোর মতো প্রশিক্ষিত কর্মীর অভাব নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। চিকিৎসকদের মতে শুধু এএসভি যথেষ্ট নয় কারণ গুরুতর ক্ষেত্রে উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন। বলরামপুর হাসপাতাল ও লোক বন্ধু রাজ নারায়ণ হাসপাতালের পরিসংখ্যান এতে অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।
অ্যান্টি-স্নেক ভেনম জাদুকরী ওষুধ এমন প্রচলিত ধারণা বাস্তবতাকে এড়িয়ে যায় যে জটিল চিকিৎসার জন্য ডাক্তার এবং সরঞ্জামের প্রয়োজন। অনেক জেলা থেকে রোগীরা লখনউতে ছুটে আসছেন শুধু এএসভির জন্য নয় বরং নিবিড় চিকিৎসার জন্য। প্রশ্ন হলো উত্তরপ্রদেশের জেলা হাসপাতালগুলোতে যথাযথভাবে ওষুধ ও কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে কিনা। পরবর্তী বর্ষার আগে প্রতিটি জেলা হাসপাতালের এএসভি মজুত এবং জরুরি প্রস্তুতির বিষয়টি রাজ্য সরকার খতিয়ে দেখবে কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়।
সূত্র: hindustantimes.com
এই প্রতিবেদনটি এআই ব্যবহার করে উল্লেখিত উৎস থেকে তৈরি করা হয়েছে।