
States’ share of mining and coal revenue rose to 88% in 2024-25 from 65% in 2014-15, while the Centre’s share fell to 12% from 35%, according to data cited by Union Minister…
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪-১৫ অর্থবর্ষে খনি ও কয়লা থেকে রাজ্যের আয় যেখানে ৬৫ শতাংশ ছিল, তা ২০২৪-২৫ সালে বেড়ে ৮৮ শতাংশ হয়েছে। অন্যদিকে কেন্দ্রের হিস্যা ৩৫ শতাংশ থেকে কমে ১২ শতাংশে নেমেছে। রাজ্যগুলির সংগ্রহ ১৩ হাজার ২৫৮ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৭১ হাজার ৩৫ কোটি টাকা হয়েছে, যেখানে কেন্দ্রের আয় ৭ হাজার ১০২ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৮ হাজার ৯৩২ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় অনুমোদনের পর সংসদ খনি ও খনিজ পদার্থ (উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ) সংশোধনী বিল ২০২৬ পাশ করেছে। এই বিলটি খনিজ অধিকার ও খনিজ সমৃদ্ধ জমির ওপর কর আরোপের ক্ষেত্রে রাজ্যগুলির ক্ষমতা সীমিত করার প্রস্তাব দেয়। রেড্ডি জানিয়েছেন, অভিন্ন হার সংশোধন রাজ্যগুলির রাজস্ব সুরক্ষিত রাখবে এবং উৎপাদনের সঙ্গে এই আয় বৃদ্ধি পাবে। বিলটি এখন রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
এই বিলটি রাজ্যগুলির খনি সংক্রান্ত সমস্ত আয় কেড়ে নেবে অথবা তাদের আয় অক্ষত রাখবে, এমন দাবি দুটিই অতিরঞ্জিত। তথ্য অনুযায়ী রাজ্যগুলি ইতিমধ্যেই এই খাতের সিংহভাগ রাজস্ব পায়, তবে এই নতুন আইন কর আরোপের ক্ষেত্রে তাদের ক্ষমতায় পরিবর্তন আনবে। তাই মন্ত্রীর আশ্বাসকে ভবিষ্যতে করের হার সংশোধন এবং প্রকৃত আয়ের নিরিখে যাচাই করা প্রয়োজন। নতুন অভিন্ন কর হার কার্যকর হওয়ার পর রাজ্যগুলির আয় ক্রমাগত বৃদ্ধি পায় কি না, তা হবে প্রথম পরীক্ষা।
সূত্র: thehindubusinessline.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।