
Newfoundland’s moose population, estimated at about 110,000, is consuming young trees and shrubs faster than the island’s forests can replace them. Introduced in 1878 and again in 1904 as a source of…
নিউফাউন্ডল্যান্ডে মুসের সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ১০ হাজার। দ্বীপের বন যে হারে নতুন চারা তৈরি করছে, তার চেয়ে বেশি দ্রুত এই প্রাণীরা গাছপালা খেয়ে ফেলছে। ১৮৭৮ ও ১৯০৪ সালে মাংসের উৎস ও শিকারের প্রাণী হিসেবে এগুলোকে আনা হয়েছিল। ১৯৩০ সালের দিকে নেকড়ে বিলুপ্ত হওয়ার পর এবং বন উজাড়ের ফলে নতুন গাছপালা জন্মানোয় মুসের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। প্রাদেশিক বন্যপ্রাণী দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গ্রীষ্মকালে একটি পূর্ণবয়স্ক প্রাণী প্রতিদিন ৬০ পাউন্ড পর্যন্ত গাছপালা খেতে পারে।
আবাসস্থলের সীমাবদ্ধতা ও শিকারের কারণে মুসের সংখ্যা বারবার ওঠানামা করেছে। গ্রোস মরনে জাতীয় উদ্যানে ১৯৯৮ সালে এদের সংখ্যা ৭ হাজার ছাড়িয়ে যায়, যা বনের পুনর্জন্ম কমিয়ে তৃণভূমিতে রূপান্তর করেছিল। বর্তমানে পার্কস কানাডা এই সংখ্যা ২ হাজারে নামিয়ে এনেছে। নিউফাউন্ডল্যান্ড সরকার ২০২৬-২৭ সালের শিকারের কোটা ১,০৯০টি বাড়িয়ে মোট ২৮,৭০৫টি লাইসেন্স করেছে।
এটিকে কেবল বন্যপ্রাণীর সাফল্যের গল্প হিসেবে দেখলে বনের ক্ষতির দিকটি উপেক্ষা করা হয়, আবার শুধু শিকারকেই একমাত্র সমাধান মনে করাটাও ভুল। নিউফাউন্ডল্যান্ডের অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে যে বহিরাগত প্রাণী বাস্তুতন্ত্রের বাইরে গিয়ে দ্রুত বংশবৃদ্ধি করতে পারে, বিশেষ করে শিকারি প্রাণী না থাকলে। শিকারের কোটা জনসাধারণের চাপের বদলে স্থানীয় জরিপ ও বন পুনরুদ্ধারের হার দেখে নির্ধারণ করা উচিত। মুসের সংখ্যা লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে থাকলেও বনের নতুন চারাগাছ বাড়তে পারছে কি না, সেটাই আসল পরীক্ষার বিষয়।
সূত্র: timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া সূত্রের ভিত্তিতে এআই প্রযুক্তি দ্বারা তৈরি।