
Cybersecurity leaders must focus less on preventing every breach and more on detecting, containing and recovering from attacks, according to ETCISO. Its 10 lessons call for resilient systems, stronger identity controls and…
ইটিসিআইএসও-এর মতে সাইবার নিরাপত্তা প্রধানদের প্রতিটি তথ্য চুরি ঠেকাতে মরিয়া না হয়ে বরং হামলা শনাক্ত করা ও তা সামাল দিয়ে দ্রুত পুনরুদ্ধারের দিকে নজর দিতে হবে। তাদের ১০টি নির্দেশনায় বলা হয়েছে যে ক্লাউড সার্ভিস, এসএএস প্ল্যাটফর্ম, এপিআই, সরবরাহকারী ও অংশীদারদের থেকে তৈরি ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে রেখে আরও শক্তিশালী পরিচয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ও নির্ভরযোগ্য সিস্টেম গড়ে তুলতে হবে।

এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে যে তথ্যের অবস্থান, ক্লাউডের ওপর নির্ভরতা এবং এআই অবকাঠামো এখন আর কেবল নিয়ম মেনে চলার বিষয় নয় বরং এগুলো কৌশলগত উদ্বেগের কারণ। এছাড়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে এআই-চালিত হামলার জন্য প্রস্তুত থাকা, কর্মচারী ও অংশীদারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং সাইবার মহড়া ও পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনা তৈরির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ইটিসিআইএসও-এর মতে ভারতের ডিজিটাল স্বাধীনতা এখন গুরুত্বপূর্ণ ডেটা, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি রক্ষা এবং তা পুনরুদ্ধারের সক্ষমতার ওপর নির্ভর করছে।
সহজ কথায় শুধু উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে ভারতের সাইবার ঝুঁকি দূর করা সম্ভব নয়। এই ধারণা মানুষের ভূমিকা, সরবরাহকারী ও ক্লাউড পরিষেবার গুরুত্বকে এড়িয়ে যায়। আবার প্রতিটি সাইবার হামলা অনিবার্য এবং তাই নিরাপত্তার জন্য অর্থ ব্যয় বৃথা—এই দাবিটিও অলসতা ছাড়া আর কিছুই নয়। প্রকৃত পরীক্ষা হলো একটি প্রতিষ্ঠান কত দ্রুত অনুপ্রবেশ শনাক্ত করতে পারে, তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা সচল করতে পারে। নিখুঁত নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতির চেয়ে দ্রুত পুনরুদ্ধারের ক্ষমতাই শেষ পর্যন্ত বড় ভূমিকা রাখবে।
উৎস: ciso.economictimes.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত উৎসের ভিত্তিতে এআই দ্বারা প্রস্তুত করা হয়েছে।