
The Maharashtra Co-Operative Appellate Court has cancelled a housing society's resolution to evict a resident whose restaurant caused noise disturbance, ruling that societies have no legal power to evict members. Advocate Amitraj…
মহারাষ্ট্রের এক আবাসন সমিতি তাদের এক বাসিন্দার রেস্তোরাঁ থেকে হওয়া শব্দ দূষণের অভিযোগে তাকে উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু মহারাষ্ট্র কো-অপারেটিভ আপিল আদালত সেই সিদ্ধান্ত খারিজ করে দিয়েছে। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনো সদস্যকে উচ্ছেদ করার আইনি ক্ষমতা কোনো সমিতির নেই। আইনজীবী অমিতরাজ কৌশল জানিয়েছেন যে উচ্ছেদ সংক্রান্ত বিষয়গুলো রাজ্য ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় পড়ে, কো-অপারেটিভ আইনের নয়। ধারা ৩৫ অনুযায়ী নিয়ম ভাঙার জন্য তিন-চতুর্থাংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও রেজিস্ট্রারের অনুমোদন সাপেক্ষে কোনো সদস্যের সদস্যপদ বাতিল করা গেলেও, তাদের নিজেদের সম্পত্তি খালি করার নির্দেশ দেওয়া যায় না।
অ্যানেক্স লিগ্যালের পূজা রাও পুত্রেভু জানান, সদস্যপদ হারানোর অর্থ কেবল সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার অধিকার হারানো, সম্পত্তির মালিকানা হারানো নয়। সমিতি নিয়ম মেনে ব্যবস্থা নিতে পারে বা বেআইনি কাজের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে নালিশ জানাতে পারে, কিন্তু কোনো বাসিন্দাকে শারীরিকভাবে উচ্ছেদ করতে পারে না। বহিষ্কৃত হওয়ার পরেও মালিক বা ভাড়াটিয়াদের বসবাসের অধিকার বজায় থাকে।
মহারাষ্ট্র কো-অপারেটিভ আপিল আদালত আবাসন সমিতিগুলোকে সঠিকভাবেই মনে করিয়ে দিয়েছে যে তারা বাড়ির মালিক নয়। সমিতির অনেক সদস্যই প্রায়শই সদস্যপদ বাতিল করাকে উচ্ছেদ বলে গুলিয়ে ফেলেন এবং মনে করেন গরিষ্ঠ ভোট থাকলেই মালিককে সম্পত্তি বিক্রিতে বাধ্য করা যায়। এই রায় একটি স্পষ্ট সীমারেখা টেনে দিয়েছে, কো-অপারেটিভ আইন সদস্যপদের বিষয় দেখবে আর রাজ্য ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন দখলস্বত্ব নির্ধারণ করবে। আসল পরীক্ষা হবে তখনই যখন কোনো সমিতি সদস্যপদ খারিজ করে ফ্ল্যাট বিক্রির জন্য চাপ সৃষ্টি করবে। যদি নিবন্ধক বা আদালত এই অবস্থান বজায় রাখেন, তবে প্রতিবেশীদের বিরোধের জেরে মালিকদের জোর করে ফ্ল্যাট বিক্রি থেকে রেহাই পাওয়া সহজ হবে।
সূত্র: economictimes.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে উপরের লিঙ্কের সূত্র থেকে তৈরি করা হয়েছে।