
KPCL is working to increase thermal power generation to 100 MU per day as the state's daily power demand ranges between 310 MU and 350 MU, compared to around 200 MU in…
রাজ্যের দৈনিক বিদ্যুৎ চাহিদা ৩১০ থেকে ৩৫০ মিলিয়ন ইউনিটের মধ্যে ওঠানামা করায় কেপিসিএল তাপবিদ্যুৎ উৎপাদন দৈনিক ১০০ মিলিয়ন ইউনিটে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। অথচ আগস্ট ২০২৫ সালে এই চাহিদা ছিল প্রায় ২০০ মিলিয়ন ইউনিট। পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের অভাবে শুধুমাত্র জলবিদ্যুতের ওপর নির্ভর করে এই চাহিদা মেটানো সম্ভব নয়। কেপিসিএল এবছর মোট ২৯,৫০০ মিলিয়ন ইউনিট তাপবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।
তবে তিনটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র মেরামতির কাজ চলায় এবং অন্য রাজ্যে বৃষ্টির ফলে কয়লা ভিজে যাওয়ায় পরিবহণে সমস্যা হচ্ছে। বর্তমানে ৬.৫ লক্ষ টন কয়লা মজুত রয়েছে যা ১৫ দিনের জন্য যথেষ্ট। প্রতিদিন ৪৪,০০০ টন কয়লার প্রয়োজন হয়। কেপিসিএল এই মজুত ১৮ দিন পর্যন্ত বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। কোল ইন্ডিয়া এবং রেলওয়ে কয়লা সরবরাহ ও রেক পাঠানোর নিশ্চয়তা দিয়েছে। ওয়াইটিপিএস-এর ৮০০ মেগাওয়াট এবং আরটিপিএস-এর ২১০ মেগাওয়াটের ইউনিট দুটি আগস্টের শেষের দিকে চালু হওয়ার আশা করা হচ্ছে। এর ফলে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৪,৮১০ মেগাওয়াটে পৌঁছাবে।
কর্ণাটক শুধুমাত্র জলবিদ্যুতের ওপর ভরসা করে থাকতে পারে না কারণ বৃষ্টিপাত অনিয়মিত। তবে একে তাপবিদ্যুৎ বনাম নবায়নযোগ্য শক্তির লড়াই হিসেবে দেখা ভুল। আসল পরীক্ষাটি হলো পরিকাঠামো নিয়ে। বৃষ্টি ও রক্ষণাবেক্ষণ জনিত কারণে কয়লা সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। রাজ্যের উচিত দ্রুত জ্বালানি মিশ্রণের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং কয়লা পরিবহণের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করা। দুটি ইউনিট সময়মতো চালু হয় কি না এবং সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে কয়লার মজুত ১৮ দিনের চাহিদায় পৌঁছায় কি না সেটাই এখন দেখার বিষয়।
উৎস: thehindu.com
এই প্রতিবেদনটি এআই ব্যবহার করে উল্লেখিত উৎস থেকে তৈরি করা হয়েছে।