
TMC MP Mahua Moitra has written to Lok Sabha Speaker Om Birla alleging that Nadia district authorities tried to force her out of a Circuit House in Krishnanagar late on Friday night.…
নদিয়ার সার্কিট হাউস থেকে শুক্রবার গভীর রাতে তাঁকে জোর করে বের করে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিলেন টিএমসি সাংসদ মহুয়া মৈত্র। মহুয়া জানিয়েছেন, তিনি সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে সেখানে পৌঁছান এবং তাঁকে একটি ঘর বরাদ্দ করা হয়। এরপর তিনি সেখানে চা ও রাতের খাবারও খেয়েছিলেন। মহুয়ার দাবি, রাত ৯টা ৪৭ মিনিটে অতিরিক্ত জেলাশাসক তাঁকে ঘর ছাড়ার নির্দেশ দেন এবং জানান উপরমহল থেকে এই নির্দেশ এসেছে। রাত ১০টা ৫২ মিনিটে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাঠানো এক নির্দেশে বলা হয়, রক্ষণাবেক্ষণের কাজের জন্য ১৪ আগস্ট থেকে ওই সরকারি আবাসন বন্ধ থাকবে, যদিও ১৩ আগস্টের আগে নিশ্চিত হওয়া বুকিংগুলো এই নির্দেশের আওতার বাইরে থাকবে।

মহুয়া অভিযোগ করেন, তিনি ঘর ছাড়তে অস্বীকার করলে রাত ১১টার দিকে বাইরে ভিড় জমে যায় এবং জয় শ্রী রাম স্লোগান দেওয়া হয়। তিনি স্পিকারের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন এবং মহিলা সাংসদদের নিরাপত্তা ও মর্যাদার বিষয়টি তুলে ধরেছেন। মহুয়া প্রিভিলেজ মোশন আনার বা কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন। নদিয়া জেলা প্রশাসন তাঁর অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কংগ্রেস নেতা পবন খেরা এবং সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন।
অনেকে একে সরকারের ভীতি প্রদর্শন আবার অনেকে নিছক আবাসন সংক্রান্ত বিবাদ হিসেবে দেখছেন। তবে কোনো দাবিই এখনও প্রমাণিত নয়। উচ্ছেদের সময়ের হিসেব, রক্ষণাবেক্ষণের নির্দেশ এবং বাইরে জমা হওয়া ভিড়ের বিষয়টি আলাদাভাবে খতিয়ে দেখা দরকার। স্রেফ রাজনৈতিক স্লোগান দিয়ে ঘটনার বিচার না করে বুকিং রেকর্ড, কল লগ, সিসিটিভি ফুটেজ এবং নিশ্চিত বুকিং থাকা সত্ত্বেও কেন তা বাতিল করা হলো, প্রশাসনের কাছে তার সঠিক ব্যাখ্যাই এখন মূল পরীক্ষার বিষয়।
সূত্র (২): indiatoday.in, rediff.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত দুটি তথ্যের ভিত্তিতে এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।
আপডেট: এই প্রতিবেদনটিতে এখন দুটি সূত্র ব্যবহার করা হয়েছে।