
Samajwadi Party National President Akhilesh Yadav holds Janeshwar Mishra's book while posing with party members during Janeshwar Mishra's birth anniversary celebrations at the Samajwadi Party office, in Lucknow on Wednesday (August 5, 2026). | Photo Credit: ANI Samajwadi Party (SP) president Akhilesh Yadav on Wednesday (August 5, 2026) sought to expand his party’s ‘PDA’ constituency
সমাজবাদী পার্টির সভাপতি অখিলেশ যাদব জানিয়েছেন যে তাদের দলের পিডিএ কাঠামোর মধ্যে পণ্ডিত বা ব্রাহ্মণরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। ৫ আগস্ট লক্ষ্ণৌতে আয়োজিত ব্রাহ্মণ ও বুদ্ধিজীবী সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন যে দল অনগ্রসর সম্প্রদায়, দলিত, সংখ্যালঘু এবং ব্রাহ্মণদের মধ্যে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। ২০২২ সালের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের সময় থেকেই এসপি পিডিএ স্লোগানটি ব্যবহার করে আসছে।
অখিলেশ যাদব উত্তরপ্রদেশ সরকারের বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণ ও অন্যান্য প্রান্তিক গোষ্ঠীকে অবহেলা করার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বিরোধী নেতাদের নিশানা করা এবং ধর্মীয় বিষয়গুলো সামলাতে সরকারের ব্যর্থতার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি স্বামী অবিমুক্তেশ্বরাানন্দকে ঘিরে ওঠা বিতর্ক, পকসো মামলা এবং রাম মন্দির অনুদান নিয়ে বিভিন্ন দাবির প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। বিশ্লেষক আসাদ রিজভির মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে এসপি ব্রাহ্মণদের ভোটের একটি অংশ নিজেদের দিকে টানতে চাইছে, যা ঐতিহ্যগতভাবে বিজেপির ভোটব্যাংক হিসেবে পরিচিত।
এসপির এই জনসংযোগ প্রচেষ্টা উত্তরপ্রদেশের রাজনীতিতে জাতিগত জোটের গুরুত্বকেই তুলে ধরে। যাদবের অভিযোগগুলো দলের সমর্থকদের কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হতে পারে, তবে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি নিরপেক্ষভাবে সেই অভিযোগগুলোর সত্যতা প্রমাণ করে না। একজন ধর্মীয় নেতা, কোনো ফৌজদারি মামলা এবং মন্দিরের অনুদান সংক্রান্ত দাবিগুলোর যথাযথ যাচাই প্রয়োজন। ব্রাহ্মণদের ভোট নিয়ে বিশ্লেষকের মতটি যুক্তিসঙ্গত হলেও এর নির্বাচনী প্রভাব পরিমাপ করার মতো কোনো সমীক্ষার তথ্য এখানে নেই। তাই যেকোনো সম্প্রদায়ের ভোট দেওয়ার প্রবণতা নিয়ে অতি সরলীকরণমূলক দাবি সম্পর্কে সতর্ক থাকা উচিত।
সূত্র: দ্য হিন্দু
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া সূত্রের ভিত্তিতে এআই ব্যবহার করে সংকলন করা হয়েছে।