
A study published in Diabetes Care found that as little as 3.9 minutes per day of vigorous intermittent lifestyle physical activity (VILPA) was associated with a 36 per cent lower risk of…
ডায়াবেটিস কেয়ার পত্রিকায় প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, দিনে মাত্র ৩.৯ মিনিটের জোরালো নিয়মিত কায়িক শ্রম (ভিআইএলপিএ) টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ৩৬ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে পারে। ইউকে বায়োব্যাংকের ২২ হাজার ৭০৬ জন অংশগ্রহণকারীর ওপর এই সমীক্ষা চালানো হয়েছে, যারা অবসরে কোনো শারীরিক ব্যায়াম করেন না। গড় ৭.৯ বছর ধরে চলা এই গবেষণায় দেখা গেছে, দিনে প্রায় ২৫.৩ মিনিটের মাঝারি থেকে জোরালো কায়িক শ্রম ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ৪৬ শতাংশ কমিয়ে দেয়।
হায়দরাবাদের স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সুধীর কুমার বলেন, যারা সকালে ব্যায়ামের জন্য এক ঘণ্টা সময় বের করতে পারেন না, তাদের জন্য এই তথ্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি জানান, অফিস চলাকালীন প্রতি ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট অন্তর দ্রুত হাঁটা, সিঁড়ি দিয়ে ওঠা বা ডেস্ক থেকে উঠে দাঁড়ানোর মতো ছোট ছোট নড়াচড়া ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনতে পারে। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, যারা নিয়মিত ব্যায়াম করার সামর্থ্য রাখেন, তাদের জন্য এই সংক্ষিপ্ত শরীরচর্চা যেন নিয়মিত রুটিনের বিকল্প না হয়ে দাঁড়ায়।
সপ্তাহে ১৫০ মিনিট সুশৃঙ্খল ব্যায়ামই একমাত্র উপায়—এই ধারণার বিপরীতে দাঁড়িয়ে এই সমীক্ষাটি একটি বাস্তবসম্মত বার্তা দিচ্ছে। অফিসের দীর্ঘ কাজের চাপে আটকে থাকা অনেক ভারতীয় জিমে যেতে না পারার অপরাধবোধে ভোগেন। তথ্য বলছে, সারাদিন মিলিয়ে মাত্র তিন থেকে চার মিনিটের দ্রুত নড়াচড়াও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি এক-তৃতীয়াংশ কমিয়ে দিতে পারে। তবে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বা নিয়মিত শরীরচর্চার বিকল্প হিসেবে এই সংক্ষিপ্ত বিরতিকে সহজভাবে দেখা ঠিক হবে না। আসল চ্যালেঞ্জ হলো, কর্মক্ষেত্রগুলোকে এমনভাবে ঢেলে সাজানো যাতে কর্মীরা নড়াচড়া করার সুযোগ পান, নাকি এই সমীক্ষাকেই সকালে হাঁটা বাদ দেওয়ার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা হবে, সেটাই দেখার বিষয়।
উৎস: deccanchronicle.com
এই প্রতিবেদনটি উপরের লিঙ্কে থাকা উৎস থেকে এআই-এর সহায়তায় তৈরি করা হয়েছে।