
Tata Mutual Fund has recommended a 70% allocation to gold and 30% to silver in precious metal portfolios, citing gold's role as a defensive hedge against macroeconomic uncertainty and currency debasement. The…
টাটা মিউচুয়াল ফান্ড তাদের প্রেশাস মেটাল পোর্টফোলিওতে ৭০ শতাংশ সোনা ও ৩০ শতাংশ রূপা রাখার পরামর্শ দিয়েছে। তাদের মতে, ম্যাক্রো-ইকোনমিক অনিশ্চয়তা ও মুদ্রার মান হ্রাসের বিরুদ্ধে সোনা একটি কার্যকর সুরক্ষা কবচ। ফান্ড হাউসটি উল্লেখ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের দুর্বল অর্থনৈতিক তথ্য এবং বন্ড ইল্ড কমার ফলে সোনার দাম বেড়েছে। তবে সুদের হার, ডলারের ওঠানামা ও বন্ড ইল্ডের কারণে সোনার দাম স্বল্প মেয়াদে একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যেই থাকতে পারে। অন্যদিকে ইলেকট্রনিক্স, এআই হার্ডওয়্যার ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে চাহিদার কারণে রূপার দীর্ঘমেয়াদী বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকলেও শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহারের কারণে এতে অস্থিরতা বেশি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর বিপুল পরিমাণ সোনা কেনা বাজারকে শক্ত ভিত্তি দিয়েছে। ২০২৪ সালের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো ২৮৯ টন সোনা কিনেছে, যা দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। রূপার দামের অস্থিরতার কথা বিবেচনা করে টাটা এমএফ এতে ধাপে ধাপে বিনিয়োগের পরামর্শ দিয়েছে।
টাটা মিউচুয়াল ফান্ডের প্রস্তাবিত ৭০:৩০ অনুপাত এটিই মনে করিয়ে দেয় যে মূল্যবান ধাতু বিনিয়োগ মানেই কেবল চকচকে পণ্যে বাজি ধরা নয়। রূপার শিল্প চাহিদার দোহাই দিয়ে সেটিকে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ হিসেবে দেখার যে প্রচলিত ধারণা রয়েছে, তাতে প্রায়শই এর অত্যধিক অস্থিরতা ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীলতাকে এড়িয়ে যাওয়া হয়। টাটা এমএফ-এর দৃষ্টিভঙ্গি সঠিক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সোনা কেনা ও মুদ্রার মান হ্রাসের বিরুদ্ধে সুরক্ষাকে রূপার ঝুঁকিপ্রবণ চরিত্রের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলা উচিত নয়। আসল পরীক্ষার বিষয় হলো, সোনার ও রূপার মূল্যের অনুপাত, যা ইতিমধ্যেই ৫১ থেকে ৭০-এর ঘরে পৌঁছেছে, তা আরও বাড়বে নাকি ভবিষ্যতে কমবে।
সূত্র: businesstoday.in
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত উৎস থেকে এআই ব্যবহার করে সংকলন করা হয়েছে।