
The Assam Tribune reports that 41 years after the Assam Accord was signed, its key clauses remain unimplemented. The most important provision, detection and deportation of foreigners from the state, has seen…
আসাম ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আসাম চুক্তি স্বাক্ষরের ৪১ বছর পেরিয়ে গেলেও এর মূল শর্তাবলি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। রাজ্য থেকে বিদেশিদের শনাক্তকরণ ও বহিষ্কারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্তটির অগ্রগতি অত্যন্ত ধীর এবং এ পর্যন্ত খুব কম সংখ্যক মানুষকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অনুপ্রবেশ ও জনতাত্ত্বিক পরিবর্তন মোকাবিলায় নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে পরিকল্পনা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন আসুর প্রধান উপদেষ্টা।

বিদেশি শনাক্তকরণের উদ্দেশ্যে ২০১৯ সালে তৈরি করা ন্যাশনাল রেজিস্টার অফ সিটিজেনস বা এনআরসি কোনো পক্ষকেই সন্তুষ্ট করতে পারেনি। ছয় বছর ধরে চলা আন্দোলন থামানোর জন্য ১৯৮৫ সালে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, কিন্তু বাস্তবায়নের গতি মন্থর হওয়ায় অবৈধ অভিবাসনের মূল সমস্যাটি এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে বলে সংবাদমাধ্যমটির দাবি।
উভয় পক্ষই একে অপরের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। আন্দোলনকারীরা সরকারের বিরুদ্ধে গড়িমসির অভিযোগ তুলছেন, আর রাষ্ট্র আইনি ও লজিস্টিক বাধাগুলোর কথা বলছে। আসল পরীক্ষাটি কেবল কথায় নয়, বরং কতগুলো ফরেন ট্রাইব্যুনাল সক্রিয় আছে এবং বহিষ্কারের আপিলের গতি কতটা তার ওপর নির্ভর করছে। চার দশকে যদি মাত্র কয়েকশ মানুষকে সরানো হয়ে থাকে, তবে আগামী ১৫ই আগস্টের মধ্যে কেন্দ্র কী ठोस পরিকল্পনা ঘোষণা করবে?
সূত্র: assamtribune.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত সূত্র থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।