
Bar Council of India chairman Manan Kumar Mishra on Saturday apologised to law students for any hurt caused by his words or communications during the controversy with NALSAR University in Hyderabad. In…
প্রধান বিচারপতির সমাবর্তনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদানের বিরোধিতার জেরে নালসারের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করেছিল বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া (বিসিআই)। সুপ্রিম কোর্ট বিসিআইয়ের সেই পদক্ষেপকে ‘সম্পূর্ণ অযৌক্তিক’ বলে অভিহিত করে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে যেকোনো শাস্তিমূলক পদক্ষেপে স্থগিতাদেশ দিয়েছে। এই ঘটনার কয়েকদিন পরেই বিসিআই চেয়ারম্যান মানন কুমার মিশ্র নিজের কাজের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছে দুঃখপ্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন।
স্বাধীনতা দিবসে লেখা এক চিঠিতে মিশ্র বলেন যে তার কোনো কথায় শিক্ষার্থীরা কষ্ট পেয়ে থাকলে তিনি দুঃখিত এবং ক্ষমা প্রার্থী। তিনি আরও বলেন যে কোনো শিক্ষার্থীকে সমাবর্তনে যোগ দেওয়া বা বিরত থাকার জন্য বাধ্য করা উচিত নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে শিক্ষার্থীদের নিজস্ব মতামত তৈরি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং তা প্রকাশ করার স্বাধীনতা তাদের থাকা উচিত। বিসিআই চেয়ারম্যান সরাসরি কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম বা বিতর্কের উল্লেখ করেননি।
এই ক্ষমা প্রার্থনাকে স্বাগত জানানো যায় কিন্তু এর আড়ালে আরও বড় সমস্যা লুকিয়ে রয়েছে। কিছু মহলে বিসিআইয়ের প্রাথমিক পদক্ষেপকে শিক্ষার্থীদের ‘অপমান’ ঠেকানোর জন্য প্রয়োজনীয় শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা হিসেবে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে অনেকে শিক্ষার্থীদের নির্দোষ আন্দোলনকারী বলে মনে করছেন। সত্যটি জটিল কারণ শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ করার অধিকার রয়েছে কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক ‘সম্পূর্ণ অযৌক্তিক’ বলে চিহ্নিত বিসিআইয়ের অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ ছিল একটি অসামঞ্জস্যপূর্ণ প্রতিক্রিয়া। এখন দেখার বিষয় বিসিআই সত্যিই তাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদল করে কি না নাকি পরবর্তী বিতর্ক তৈরি না হওয়া পর্যন্ত তারা পিছু হটে থাকে। তারা কি এনরোলমেন্ট বা তালিকাভুক্তি সংক্রান্ত নিয়ম সংশোধন করবে? তবেই বোঝা যাবে এই ক্ষমা প্রার্থনা আন্তরিক না কি কৌশলগত।
সূত্র (২): ndtvprofit.com, thehindu.com
এই প্রতিবেদনটি এআই ব্যবহার করে উল্লেখিত দুটি সূত্র থেকে তৈরি করা হয়েছে।