
Dehydration, salty food, delayed bathroom breaks, poor sleep, fast food and unsupervised painkiller use may put added strain on the kidneys and bladder, according to Dr Ankur Bhatnagar of Sarvodaya Hospital. Weekend…
সর্বোদয় হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. অঙ্কুর ভাটনগরের মতে, শরীরে জলের অভাব, নোনতা খাবার, দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব আটকে রাখা, ঘুমের অভাব, জাঙ্ক ফুড এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যথানাশক ওষুধ সেবন বৃক্ক ও মূত্রাশয়ের উপর বাড়তি চাপ ফেলতে পারে। সপ্তাহান্তে ভ্রমণ, বাইরের কাজ ও সামাজিক মেলামেশার কারণে জল খাওয়ার পরিমাণ কমে যেতে পারে। এছাড়া অ্যালকোহল এবং অতিরিক্ত ক্যাফেইন পান করলে শরীরে জলের অভাব আরও বেড়ে যায়। যাদের কিডনিতে পাথর হওয়ার প্রবণতা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে ঘন প্রস্রাব সমস্যা তৈরি করতে পারে। তবে ব্যক্তিভেদে জলের প্রয়োজন ভিন্ন হয়।
নিয়মিত প্রস্রাব আটকে রাখার অভ্যাস মূত্রাশয়ের সমস্যার কারণ হতে পারে। অতিরিক্ত সোডিয়াম রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয় যা দীর্ঘমেয়াদী কিডনি রোগের অন্যতম বড় ঝুঁকি। বিশেষ করে শরীরে জলের অভাব থাকলে বা আগে থেকে কিডনির সমস্যা থাকলে আইবুপ্রোফেন ও ডিক্লোফেনাকের মতো ওষুধ বৃক্কে রক্ত সঞ্চালন কমিয়ে দিতে পারে। দেরিতে ঘুমানো এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার मोटापा, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের মতো রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
অনেকেই মনে করেন সপ্তাহান্তে দেরিতে ঘুমালে বা বাইরের খাবার খেলে কিডনি নষ্ট হয়ে যাবে। কিন্তু এই সতর্কবার্তা মোটেই তা বলছে না। মূল উদ্বেগের বিষয় হলো বারবার এই অভ্যাসগুলো মেনে চলা। বিশেষ করে শরীরে জলের অভাব, অতিরিক্ত নুন খাওয়া এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যথানাশক ওষুধ সেবন ঝুঁকিপূর্ণ। তবে নির্দিষ্ট পরিমাণ জল পান করাকেই একমাত্র স্বাস্থ্যবিধি হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক নয়। প্রস্রাবের ধরনে দীর্ঘমেয়াদী পরিবর্তন, মাথা ঘোরা বা আগে থেকেই ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সাধারণ একটি পরীক্ষা করে দেখা যেতে পারে যে এই অভ্যাসগুলো কি মাঝে মাঝে ঘটে নাকি প্রতি সপ্তাহান্তের নিয়মিত রুটিনে পরিণত হয়েছে?
উৎস: timesnownews.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত উৎসের তথ্যের ভিত্তিতে এআই প্রযুক্তি দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।