
The Hindu argues that recent disruption around the Strait of Hormuz and the Houthi blockade against Saudi Arabia have brought naval terms such as chokepoints and freedom of navigation into public debate.…
দ্য হিন্দু জানাচ্ছে যে হরমুজ প্রণালীতে সাম্প্রতিক অস্থিরতা এবং সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হুথি অবরোধের জেরে চোকপয়েন্ট ও সমুদ্র চলাচলের স্বাধীনতার মতো নৌ-পরিভাষাগুলি এখন জনবিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এসেছে। ভারত ২০০৭ সালের তার সামুদ্রিক কৌশলপত্রে স্পষ্ট করেছিল যে সব পরিস্থিতিতেই জাতীয় প্রয়োজনে সমুদ্র ব্যবহারের স্বাধীনতা বজায় রাখা জরুরি। নিবন্ধটিতে বলা হয়েছে ভারতের সার্বভৌমত্ব ও সমৃদ্ধি সমুদ্রপথে তার বাণিজ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর নির্ভরশীল।
এতে ভারতের সামুদ্রিক ইতিহাসকে জাতীয় ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। সাতবাহনরা ভারত-রোম বাণিজ্যের মাধ্যমে উপকৃত হয়েছিল ও চোল শাসকরা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় নৌ-শক্তি প্রদর্শন করেছিলেন। নিবন্ধটি কুঞ্জলি মারাক্কার এবং কানহোজী আংরে-র প্রতিরোধের কথাও স্মরণ করিয়ে দেয়, যা প্রমাণ করে ভারত আগে থেকেই নিজস্ব শর্তে সমুদ্রশক্তি গড়ে তুলেছিল ও রক্ষা করেছিল।
অনেকে মনে করেন স্বাধীনতার ইতিহাস কেবল স্থলকেন্দ্রিক একটি আখ্যান আর ভারত অতীতে সমুদ্র শাসন করত এমন দাবি অনেক সময় কৌশলের বদলে কেবল নস্টালজিয়া হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু উভয় ধারণাই বাস্তব পরীক্ষার নিরিখে দুর্বল। একটি সামুদ্রিক শক্তিতে পরিণত হতে প্রয়োজন জাহাজ, নৌ-ঘাঁটি, প্রশিক্ষিত কর্মী, নির্ভরযোগ্য জাহাজ নির্মাণ শিল্প এবং সংকটের সময় বাণিজ্য সচল রাখার সক্ষমতা। ২০০৭ সালের কৌশলপত্রটি একটি স্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে দিয়েছে, তবে ভারতের প্রকৃত সক্ষমতার পরীক্ষা হবে তখনই যখন কোনো চোকপয়েন্ট হুমকির মুখে পড়লে দেশটি তার জ্বালানি ও বাণিজ্যিক রুটগুলো রক্ষা করতে পারবে।
সূত্র: thehindu.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত সূত্রের ভিত্তিতে এআই-এর মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।