
Violinist L Subramaniam says he is working to raise funds for a global centre of excellence where students from across the world can learn Indian music, improvisation and musical experience. In an…
ভায়োলিন বাদক এল সুব্রামানিয়ম জানিয়েছেন, তিনি এমন একটি বিশ্বমানের কেন্দ্র তৈরির জন্য তহবিল সংগ্রহের কাজ করছেন যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষার্থীরা ভারতীয় সঙ্গীত, ইম্প্রোভাইজেশন এবং সঙ্গীতের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন। Rediff.com-এর একটি সাক্ষাৎকারে পদ্মবিভূষণ পুরস্কারপ্রাপ্ত এই শিল্পী বলেন, তাঁর পিতার ইচ্ছা ছিল ভায়োলিনকে একটি একক বাদ্যযন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা — সেটাই তাঁর কর্মজীবনের পথ নির্ধারণ করেছে।

সুব্রামানিয়ম বলেন, সম্মানগুলি হলো ‘ক্ষণস্থায়ী মেঘ’ এবং একজন সঙ্গীতশিল্পীর পক্ষে ভারতীয় সঙ্গীতের ৫০ লাখেরও বেশি স্কেল এবং অসংখ্য তালচক্র আয়ত্ত করা সম্ভব নয়। তিনি শিক্ষাকে একটি নিরবচ্ছিন্ন প্রক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করেন এবং বলেন, তিনি পরবর্তী প্রজন্মের জন্য নতুন পথ তৈরি করতে চান। তাঁর সঙ্গীতযাত্রা শুরু হয়েছিল শৈশবে ডিপথেরিয়ার কারণে — যা তাঁর পিতাকে কণ্ঠ প্রশিক্ষণ থেকে সরিয়ে ভায়োলিনের দিকে মনোযোগ দিতে বাধ্য করে।

সহজ গল্প হলো, পুরস্কারই একজন শিল্পীর কর্মজীবনের চূড়ান্ত পর্যায়। সুব্রামানিয়মের নিজের বর্ণনা অন্য কথা বলে: স্বীকৃতির চেয়ে নিরবচ্ছিন্ন চর্চা, নতুন সঙ্গীত ধারণা এবং শিক্ষাদান বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রস্তাবিত কেন্দ্রটি এই দর্শনকে বাস্তব রূপ দিতে পারে, তবে এর মূল্য নির্ভর করবে তহবিল, শিক্ষক এবং অভিজাত মহলের বাইরের শিক্ষার্থীদের অ্যাক্সেসের ওপর। প্রথম পরীক্ষা সহজ: কেন্দ্রটি কখন খুলবে এবং এটি কতজন শিক্ষার্থীকে সেবা দেবে?
সূত্র: rediff.com
এই বিবরণটি উপরের উল্লেখিত সূত্র থেকে AI-এর মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে।