
Four candidates from Haryana were arrested for cheating with seven modified mobile devices during a Central Sanskrit University non-teaching written exam at Kendriya Vidyalaya in IIT-Powai on August 9. The Powai police…
গত ৯ আগস্ট আইআইটি-পাওয়াইয়ের কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে সেন্ট্রাল সংস্কৃত ইউনিভার্সিটির একটি নন-টিচিং লিখিত পরীক্ষায় জালিয়াতির দায়ে হরিয়ানার চার প্রার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে সাতটি বিশেষ প্রযুক্তিযুক্ত মোবাইল যন্ত্র জব্দ করেছে পুলিশ। পাওয়াই পুলিশ জানায় যে, যন্ত্রগুলো ছিল স্ক্রিন বা কিবোর্ডবিহীন খালি সার্কিট বোর্ড। এর মধ্যে শার্টের বোতামের ভেতরে লুকানো মাইক্রো-ক্যামেরা এবং কানের গভীরে স্থাপন করা ব্লুটুথ ইয়ারবাড ছিল। এক প্রার্থীর কান থেকে ব্লুটুথ ডিভাইসটি বের করতে চিকিৎসকদের সাহায্য নিতে হয়।
ধৃতরা হলো দেবেন্দ্র সিং, ভূপ সিং, রবি সিং এবং রবীন্দ্র সিং। পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজত শেষে তাদের ১৪ দিনের জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ পরিদর্শক গণেশ পাতিল জানিয়েছেন যে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো ঘটনা ঘটেনি। পুলিশ ডিভাইস সরবরাহকারীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে এবং এর পেছনে কোনো বড় চক্র কাজ করছে কি না তা খতিয়ে দেখছে। গ্রেপ্তারের পর আরও তিনজন অজ্ঞাত ব্যক্তি পরীক্ষার হলের বাইরে একই ধরনের কিছু যন্ত্র ফেলে পালিয়ে যায়।
সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় সাইবার জালিয়াতি নিয়ে গণমাধ্যমের অতি উৎসাহ একটি মৌলিক বিষয়কে এড়িয়ে যাচ্ছে: প্রার্থীরা প্রযুক্তির উৎকর্ষতার জন্য নয় বরং জ্যামারের কারণে ধরা পড়েছে। আসল উদ্বেগের বিষয় হলো, হরিয়ানার তরুণরা একটি সাধারণ পিয়ন বা নিরাপত্তারক্ষীর চাকরির জন্য শত শত কিলোমিটার দূরে গিয়ে এমন জালিয়াতির আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছে। প্রযুক্তির সাহায্যে জালিয়াতি নিয়ে কেবল নৈতিক সমালোচনা না করে বরং ভাবা উচিত কেন গ্রুপ ডি-এর মতো পদের জন্য এত বড় প্রতারণার ঝুঁকি নেওয়া হচ্ছে। এই প্রশ্নের উত্তর ভারতের চাকরির সংকটের প্রকৃত চিত্রটিই তুলে ধরবে।
সূত্র: timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে উপরের উৎস থেকে তৈরি করা হয়েছে।