
The Lok Sabha passed the Banker's Books Evidence Bill, 2026, by voice vote on August 5, replacing the 1891 law with rules covering electronic, digital and cloud-based bank records. LiveLaw reports that…
লোকসভায় ২০২৬ সালের ব্যাংকার্স বুকস এভিডেন্স বিলটি ভয়েস ভোটে পাস হয়েছে৷ এটি ১৮৯১ সালের পুরনো আইনের জায়গায় ইলেকট্রনিক, ডিজিটাল ও ক্লাউড-ভিত্তিক ব্যাংক রেকর্ডের নিয়ম চালু করে। সূত্রের খবর, বিলটি পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট বা তার উর্ধ্বতন পদস্থ কর্মকর্তাদের বিচার বিভাগীয় অনুমতি ছাড়াই যে কোনো নাগরিকের সম্পূর্ণ ব্যাংকিং ইতিহাস তলব করার ক্ষমতা দেয়। ব্যাংকগুলিকে গ্রাহককে জানাতে হবে, তবে চলমান তদন্ত, জাতীয় নিরাপত্তা এবং সংগঠিত আর্থিক অপরাধের ক্ষেত্রে এই বাধ্যবাধকতা থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে। বিলটি এখন রাজ্যসভায় যাবে।

বিলটি শারীরিক ও ইলেকট্রনিক রেকর্ডের জন্য আলাদা সার্টিফিকেশন ফরম্যাট নির্ধারণ করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বেগের মূল বিষয় ডিজিটালাইজেশন নয়, বরং অনিয়ন্ত্রিত অ্যাক্সেস। তারা সুপ্রিম কোর্টের কে.এস. পুত্তস্বামী রায়ের কথা উল্লেখ করেন, যা গোপনীয়তার সীমাবদ্ধতার জন্য প্রয়োজনীয়তা, আনুপাতিকতা ও পদ্ধতিগত সুরক্ষার পরীক্ষার কথা বলে।
সাধারণ ধারণা হলো একটি অপ্রচলিত সাক্ষ্য আইনের আধুনিকীকরণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভাল, অন্যদিকে অতিরঞ্জিত মতামত হলো প্রতিটি ডিজিটাল রেকর্ড পাওয়ার অসাংবিধানিক। প্রকৃত সমস্যা আরও সূক্ষ্ম: কারও সম্পূর্ণ আর্থিক ইতিহাসের জন্য পুলিশের দাবি কে যাচাই করবে, এবং তাকে কখন জানানো হবে? আর্থিক অপরাধের তদন্তে অ্যাক্সেস প্রয়োজন, কিন্তু শুধুমাত্র সিনিয়রিটি থ্রেশহোল্ড স্বাধীন নজরদারি নাও দিতে পারে। রাজ্যসভার উচিত বিচার বিভাগীয় অনুমোদন, পর্যালোচনা বা বাধ্যতামূলক অডিটের প্রয়োজন কিনা তা পরীক্ষা করা এবং বাস্তবে পরিমাপযোগ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রকাশ করা।
সূত্র: livelaw.in
এই প্রতিবেদনটি উপরের লিঙ্কের সূত্র থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে সংকলিত হয়েছে।